প্রশ্নোত্তর
প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি থেকে একটি প্রশ্নোত্তর দেওয়া হলো।

default-image

প্রশ্ন: রিলেশনাল ডেটাবেইস ম্যনেজমেন্ট সিস্টেম কাকে বলে? এর বৈশিষ্ট্যগুলো লেখো।
উত্তর:
রিলেশনাল ডেটাবেইস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে ডেটাবেইসের একাধিক ডেটা টেবিল থাকে এবং প্রতিটি টেবিল পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত থাকে, তাকে রিলেশনাল ডেটাবেইস ম্যানেজমেন্ট বলে। সাধারণত ডেটাবেইস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নামক সফটওয়্যারের মাধ্যমে রিলেশনাল ডেটাবেইস তৈরি করা যায়, পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন ছাড়াও ডেটা টেবিলে ডেটা প্রবেশ, ডেটা আপডেট এবং ডেটা ডিলিট করা যায়। বহুল ব্যবহূত কয়েকটি রিলেশনাল ডেটাবেইস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো:
১। মাইক্রোসফট অ্যাকসেস।
২। আইবিএম ডিবি২
৩। মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার।
৪। ওরাকল। ৫। মাইএসকিউএল।
রিলেশনাল ডেটাবেইস ম্যনেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
১। রিলেশনাল ডেটাবেইসে প্রতিটি কলাম, কলামের নামের মাধ্যমে চিহ্নিত হবে এবং প্রতিটি সারি যেকোনো ক্রমে থাকতে পারবে।
২। যে অপারেশনগুলো ব্যবহারকারী এবং সিস্টেম কর্তৃক ব্যবহার করা হবে, সেগুলো অবশ্যই রিলেশনাল হবে।
৩। সিস্টেম কমপক্ষে জয়েন্ট অপারেশনের একটি ভেনিয়েন্ট সমর্থন করবে। উপরিউক্ত তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো সর্বনিম্ন বৈশিষ্ট্য, যেগুলো একটি রিলেশনাল ডেটাবেইসে অবশ্যই থাকা উচিত। এ ছাড়া রিলেশনাল ডেটাবেইস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আরও অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
যেমন:
১। এক ডেটাবেইসের সঙ্গে অন্য ডেটাবেইসের সম্পর্ক স্থাপন করা যায়।
২। প্রয়োজন অনুসারে বিভিন্ন ফরম্যাটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় এবং সংশোধন করা যায়।
৩। সংখ্যাসূচক ডেটাগুলো নিয়ে গাণিতিক এবং যুক্তিমূলক কাজ করা যায়।
৪। অসংখ্য ডেটার মধ্য থেকে কাঙ্ক্ষিত ডেটা খুঁজে বের করা যায়।
৫। ডেটার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় চার্ট বা গ্রাফ তৈরি করা যায়।
৬। সহজে ডেটা টেবিল তৈরি করে তাতে ডেটা এন্ট্রি করা যায়।
৭। ডেটা ভ্যালিডেশনের মাধ্যমে ভুল ডেটা এন্ট্রি রোধ করা যায়।
৮। প্রয়োজনবোধে বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।
৯। অন্যান্য প্রোগ্রাম, যেমন: ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি প্রোগ্রাম থেকে ডেটা এনে ডেটাবেইসে ঢোকানো যায় এবং ওই সব ডেটাকে কাজে লাগানো যায়।
১০। ডেটা ম্যানিপুলেশনের সুবিধা রয়েছে।
প্রভাষক
চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ

বিজ্ঞাপন
শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন