বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১৯৯২ সালে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা হয়। এরপর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের (বিওটি) প্রতিষ্ঠাতা সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সেতুবন্ধ তৈরির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন। তাদের জনহিতকর দৃষ্টিভঙ্গিতে পরে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা হয়। বিভাগটি বর্তমানে ক্যারিয়ার অ্যান্ড প্লেসমেন্ট সেন্টার (সিপিসি) নামে পরিচিত। এটি শিক্ষার্থীদের জন্য নেটওয়ার্কিং এবং কাজের সুযোগ তৈরি করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। গত বছর এই বিভাগের ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ছিল কিন্তু চলমান মহামারির কারণে উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানটি এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে করা হলো।

রজতজয়ন্তী উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, ‘নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি শুধু একাডেমিয়া সেক্টরেই নয়, সর্বস্তরে একটি মানসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে সম্মানিত।’ মন্ত্রী এনএসইউর বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পেশাগত জীবনে প্রশংসনীয় অবদান রাখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিপিসির প্রশংসা করেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত আইটিও নাওকি। তিনি বলেন, জাপান ও বাংলাদেশ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক উপভোগ করছে।

জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) ঢাকার প্রধান প্রতিনিধি ইউহো হায়াকাওয়া এনএসইউ এবং জাপানি সংস্থার সহযোগিতার প্রকল্প সম্পর্কে আলোচনা করেন। তিনি ভবিষ্যতে আরও এ ধরনের সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ডে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য আতিকুল ইসলাম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচেম) সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আজিম উদ্দিন আহমেদ, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এম এ কাশেম এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজীর আহমেদ।

সিপিসির পরিচালক মোহাম্মদ খসরু মিয়া ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শেষ করেন। তাঁর বক্তব্যের পর কেক কাটা ও ফটোগ্রাফি সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনএসইউর ডিন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন