default-image

অন্তু মণ্ডল পড়ছেন বগুড়ার পুণ্ড্র ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির আইন বিভাগে। বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মানেই অন্তুর নাচ। শাস্ত্রীয়, আধুনিক—সব ধরনের নাচেই সমান পারদর্শী এই তরুণ।

ক্যাম্পাসে কীভাবে আপনার জনপ্রিয়তা গড়ে উঠল? হেসে তিনি বললেন, ‘সাত বছর বয়সে পিসতুতো দিদির নাচ দেখে পায়ে ঘুঙুর বেঁধেছিলাম। শৈশবে তাঁর কাছেই নাচ শেখা। সেই যে পায়ে ঘুঙুর বাঁধলাম, এখনো সেই ঘুঙুরের ছন্দ ছাড়তে পারিনি। আইন বিষয়ে পড়লেও মন পড়ে থাকে নাচের ছন্দে। নৃত্যকলা এখন রক্ত-মাংসের সঙ্গে মিশে গেছে। নাচ এখন আমার নেশা, জীবনের একটি অংশ।’ জানালেন, স্কুলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নিয়মিত নাচতেন। ২০১৩ ও ২০১৪ সালে নবম ও দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় গাংনী শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যকলায় টানা দুই বছর উপজেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন তিনি।

পুণ্ড্র ইউনিভার্সিটিতে আইন বিভাগে ভর্তির পর অন্তু মণ্ডলের মনে শঙ্কা ছিল, নিয়মিত নাচটা চালিয়ে যেতে পারবেন তো? কিন্ত সেই শঙ্কা কেটে গেছে দ্রুতই। নবীনবরণ, বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবস, বসন্ত উৎসব—একে একে সব অনুষ্ঠানেই দেখা গেছে তাঁর সরব উপস্থিতি। পেয়েছেন স্বীকৃতিও। ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বিভাগ সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় নাচে সেরার পুরস্কার পেয়েছেন। বললেন, ‘নাচে এ পর্যন্ত পথচলায় অনুপ্রেরণার নেপথ্যের মানুষদের মধ্যে পিসতুতো দিদি ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শর্মিলা মুস্তাফি, সহপাঠী জীবন, রনি, পিয়াস, নউরীন, সারা এবং মাইশা আপু সব সময় উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন।’ ভবিষ্যৎ স্বপ্ন কী? অন্তু বলেন, ‘অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে। পড়াশোনা শেষ করে নাচের একটা অ্যাকাডেমি গড়ে তোলার ইচ্ছে আছে।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0