বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উত্তর

ক. কে রোজ আবহমান বাংলার প্রকৃতিকে মুগ্ধ চোখে দেখে?

খ. জীবনানন্দ দাশের ডাকনাম কী?

গ. কোথায় গ্রামের বধূরা চাল ধোয়?

ঘ. জীবনানন্দ দাশ বাংলার প্রকৃতিকে কীভাবে দেখে?

ঙ. কখন গাছের সবুজ পাতা হলুদ হয়ে ওঠে?

২০. রাজপুরীতে গিয়ে ওই অচিন মানুষ সুচ নেওয়ার কথাটাও বলে না। বলতে থাকে অন্য কথা। বলে, আজকের দিন বড় শুভ দিন। আজ হচ্ছে পিটকুড়ুলির ব্রত, আজকের দিনে রানিদের পিঠা বানাতে হয়—এমনই নিয়ম। নকল রানি পিঠা বানাতে যায়। সে কাঞ্চনমালাকেও পিঠা বানাতে ফরমাস দেয়। নকল রানি বানায় পিঠা।

সে পিঠা কেউ মুখেও তুলতে পারে না, এমনই বিস্বাদ। দুঃখিনী কাঞ্চনমালা বানায় চন্দ্রপুলি, মোহনবাঁশি, ক্ষীর মুরলি পিঠা। মুখে দেওয়া মাত্র সবার মন ভরে যায়। এমন স্বাদ তার। নকল রানি উঠানে আলপনা দিতে যায়। কোথায় নকশা কোথায় কী—এখানে এক খাবলা রং লেপে দেওয়া, ওখানে এক খাবলা লেপা। দেখতে যে কী অসুন্দর দেখায়। আর কাঞ্চনমালা আঁকে পদ্মলতা। তার পাশে আঁকে সোনার সাত কলস, ধানের ছড়া, ময়ূর-পুতুল। লোকে তখন বুঝতে পারে, কে আসল রানি, আর কে দাসী।

উত্তর

ক. অসুন্দর আলপনা আঁকে কে?

খ. দুঃখিনী কাঞ্চনমালা কী পিঠা বানায়?

গ. নকল রানি কোথায় আলপনা দিতে যায়?

ঘ. কেউ পিঠা মুখে তুলতে পারে না কেন?

ঙ. রানিদের কখন পিঠা বানানোর নিয়ম?

খন্দকার আতিক, শিক্ষক, উইলস লিট্ল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

এই বিষয়ের প্রকাশিত পূর্বের অংশ

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন