default-image

অধ্যায় ৪

প্রশ্ন: বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে কৃষি আমাদের কীভাবে সহায়তা করে?

উত্তর: বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। তাই এখানে অনেক রকমের কৃষিপণ্য উৎপাদিত হয়। যেসব কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা যায়, সেগুলোকে অর্থকরী ফসল বলে।

বাংলাদেশ যেসব কৃষিপণ্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে তা হলো:

চা: বাংলাদেশের চায়ের বিশেষ সুনাম রয়েছে। চা রপ্তানি করে প্রতিবছর বাংলাদেশ অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

পাট: পাট আমাদের অর্থকরী ফসল। পাট ও পাটের তৈরি পণ্য বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায়।

তামাক: বাংলাদেশে উত্পন্ন তামাক বেশির ভাগই বিদেশে রপ্তানি করা হয়।

আলু: দেশের চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত আলু দেশের বাইরে রপ্তানি করা হয়।

বাংলাদেশের অন্যান্য ফসলের মধ্যে তুলা, রেশম, সুপারি ও রাবার উল্লেখযোগ্য।

প্রশ্ন: আমাদের পোশাকশিল্পের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো বর্ণনা করো।

উত্তর: পোশাকশিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প।

১. বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক রপ্তানি করার মাধ্যমে।

২. বাংলাদেশের পোশাক কারখানায় লাখ লাখ পুরুষ ও নারী কাজ করায় বেকারত্ব কমেছে ।

৩. পোশাকশিল্পের প্রসার ঘটার কারণে, এর সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য শিল্পও বিকশিত হচ্ছে।

৪. তৈরি পোশাক দেশে রপ্তানি করে বাংলাদেশ প্রতিবছর অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

বিজ্ঞাপন
শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন