বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ছাত্রসংগঠনটি বলছে, এটি অত্যন্ত তড়িঘড়ি করে নেওয়া একটি সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের আর্থিক ক্ষতির মধ্যে ফেলবে। কারণ, এখন পর্যন্ত কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়নি। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আসনসংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুযোগ পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা কাজ করে। এই অনিশ্চয়তা থেকে তাঁরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ফরম পূরণ করতে বাধ্য হবেন। সবার আগে ভর্তির সিদ্ধান্ত নিলে আবেদন ফরম পূরণ বাবদ বেশি টাকা আদায় হবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের। কিন্তু শিক্ষার্থীরা পড়বেন বিপাকে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় যাবতীয় কাগজপত্র ও ভর্তি ফি দিয়েই শিক্ষার্থীরা সেখানে ভর্তি হবেন। পরে যখন শিক্ষার্থীদের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রশ্ন আসবে, তখন আবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কাগজপত্র উত্তোলন ও ভর্তি বাতিল করতে হবে। ভর্তি বাতিল করার জন্য আবার ফিও দিতে হবে। এতে শিক্ষার্থীরা হয়রানি ও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজগুলোতে প্রতিবছরই আসন শূন্য থাকে। এগুলোতে ভর্তি নেওয়া হয় না। সবার আগে ভর্তি নিলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন ফাঁকা থাকার আশঙ্কা আরও বাড়বে।

বিগত বছরগুলোর অভিজ্ঞতা এমনটাই বলে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ধরনের সিদ্ধান্তে পরিষ্কারভাবে বোঝা যাচ্ছে যে শিক্ষার্থীদের পকেট কাটাই মূল উদ্দেশ্য।

এখানে শিক্ষার্থীদের স্বার্থের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এসব একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ হতে পারে না। আমরা অবিলম্বে শিক্ষার্থীদের স্বার্থের কথা চিন্তা করে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া চালু করার দাবি জানাই।’

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন