default-image

সুন্দরবনের প্রাণী
প্রিয় শিক্ষার্থী, শুভেচ্ছা রইল। আজ রয়েছে বাংলা বিষয়ের প্রবন্ধ ‘সুন্দরবনের প্রাণী’ নিয়ে আলোচনা।
# নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
প্রশ্ন: রয়েল বেঙ্গল টাইগার ছাড়াও সুন্দরবনে একসময় আর কী কী বাঘ ছিল?
উত্তর: রয়েল বেঙ্গল টাইগার ছাড়াও সুন্দরবনে একসময় প্রচুর চিতাবাঘ দেখা যেতো, এছাড়া ওলবাঘ নামের আরও একধরনের বাঘ ছিল।
প্রশ্ন: কোন রাজা কোথায় তাঁর যৌবনকালে গণ্ডার শিকারে অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন?
উত্তর: রাজা প্রতাপাদিত্য তাঁর যৌবনকালে সুন্দরবনে গণ্ডার শিকারে অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন।
প্রশ্ন: কখন সুন্দরবনে গণ্ডারের সংখ্যাধিক্য ছিল?
উত্তর: ইংরেজ আমলের প্রথম দিকে অর্থাৎ আজ থেকে ৩০০ বছর আগে সুন্দরবনে গণ্ডারের সংখ্যাধিক্য ছিল।
প্রশ্ন: সুন্দরবনে একসময় গণ্ডারের সংখ্যাধিক্য থাকলেও কেন এখন তা নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে
উত্তর: সুন্দরবনে একসময় গণ্ডারের সংখ্যাধিক্য থাকলেও এখন তা নিশ্চিহ্ন হওয়ার কারণ হচ্ছে, ইংরেজ শাসক ও দেশীয় কর্মচারী এবং স্থানীয় দক্ষ শিকারিরা মিলে ক্রমান্বয়ে গণ্ডারের বংশ ধ্বংস করে।
প্রশ্ন: কে কত সালে সুন্দরবনে শেষ গণ্ডার দেখেছিলেন বলে জানা যায়?

উত্তর: বিখ্যাত বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের ভাই নলিনীভূষণ রায় ১৮৮৫ সালে সুন্দরবনে শেষ গণ্ডার দেখেছিলেন বলে জানা যায়।
প্রশ্ন: শকুন ক্রমেই নিশ্চিহ্ন হচ্ছে বলে গবেষকেরা খুবই চিন্তিত ও বিমর্ষ কেন?
উত্তর: শকুন যাবতীয় অখাদ্যকেই তার খাদ্য হিসেবে বিবেচনা করে বলে মানুষের পক্ষে যা ক্ষতিকর, শকুন সেসব আবর্জনা খেয়ে আমাদের চারদিকের পরিমণ্ডল বসবাসযোগ্য করে তোলে ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখে। তাই শকুন ক্রমেই নিশ্চিহ্ন হচ্ছে বলে গবেষকেরা খুবই চিন্তিত ও বিমর্ষ।
প্রশ্ন: কী করলে প্রাকৃতিক নিয়মকেই ধ্বংস করা হয়?
উত্তর: এই পৃথিবীতে সব প্রাণী, বৃক্ষলতা ইত্যাদি প্রকৃতির নিয়মে আবিভূ‌র্ত হয়েছে। সবকিছুই প্রকৃতির দান। প্রকৃতির এসব দানকে ধ্বংস করতে নেই। কেননা, এসব ধ্বংস করলে প্রাকৃতিক নিয়মকেই ধ্বংস করা হয়।
প্রশ্ন: একটি দেশকে চেনার সহজ পদ্ধতি কী?
উত্তর: বিশ্বে কোনো কোনো প্রাণীর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে দেশের বা জায়গার নাম। যেমন: ক্যাঙ্গারু বললেই অস্ট্রেলিয়ার কথা মনে হয়। সিংহ বললেই মনে হবে আফ্রিকার কথা। পৃথিবীর অন্যান্য দেশে বাঘের দেখা মিললেও বাংলাদেশের রয়েল বেঙ্গল টাইগার অতুলনীয়। তাই রয়েল বেঙ্গল টাইগার দিয়েই বাংলাদেশকে চেনা যায়।
প্রশ্ন: প্রাণীদের কখন সংকট অবস্থার সৃষ্টি হয়?
উত্তর: প্রাণীর সঠিকভাবে বেঁচে থাকার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ প্রয়োজন। যেকোনো দেশে যেসব জীবজন্তু দেখা যায়, সেসব প্রাণী সেসব দেশের অমূল্য সম্পদ। প্রাণীকুল উপযুক্ত পরিবেশ ছাড়া বেঁচে থাকতে পারে না। আর এই উপযুক্ত পরিবেশে বিঘ্ন ঘটলে প্রাণীদের বেঁচে থাকার ক্ষেত্রেও সংকট সৃষ্টি হয়।
প্রশ্ন: বাঘ কেন সংরক্ষণ করা প্রয়োজন?
উত্তর: বাঘ হিংস্র হলেও সুন্দরবনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাণী। ‘রয়েল বেঙ্গল টাইগার’ নামটি পৃথিবীতে সবাই জানে এবং জানে যে এ বাঘ বেঙ্গলে, অর্থাৎ বাংলাদেশেই একমাত্র দেখা যায়। যদি বাঘই না থাকে, তো রয়েল বেঙ্গল থাকবে কীভাবে? তাই বাঘকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা আমাদের উচিত ও কর্তব্য।
প্রশ্ন: ক্যাঙারু কোথায় দেখা যায়?
উত্তর: প্রাণীজগতের এক বিচিত্র প্রাণী হলো ক্যাঙারু। একমাত্র অস্ট্রেলিয়াতেই এই প্রাণীটি দেখা যায়। এদের চারটি পা, কিন্তু পেছনের দুপা বড় আর সামনের পা দুটি ছোট। এ জন্য অন্যান্য চতুষ্পদ প্রাণীর মতো ক্যাঙারু হাঁটাচলা করতে পারে না। পেছনের দুই পায়ে ভর দিয়ে এরা লাফিয়ে লাফিয়ে চলে। বুকের নিচে একটা থলিতে এরা তাদের বাচ্চা রাখে।
# বাকি অংশ ছাপা হবে আগামীকাল
সিনিয়র শিক্ষক
আন-নাফ গ্রিন মডেল স্কুল, ঢাকা

বিজ্ঞাপন
শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন