সংকল্প
প্রিয় শিক্ষার্থী, আজ বাংলা বিষয়ের ‘সংকল্প’ কবিতার ওপর আলোচনা করব। এ কবিতাটি লিখেছেন আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।

default-image

মূলভাব: কিশোরের মন চিরকৌতূহলী। সে জানতে চায় বিশ্বের সবকিছু। আবিষ্কার করতে চায় অসীম আকাশের সব অজানা রহস্য। সে বুঝতে চায় কেন মানুষ ছুটছে অসীমে, অতলে, অন্তরিক্ষে; বীর কেন জীবনকে অনায়াসে বিপন্ন করে মৃত্যুকে বরণ করে। সে জানতে চায় ডুবুরি কেমন করে গভীর পানিতে ডুব দিয়ে মুক্তা আহরণ করছে। দুঃসাহসী অভিযাত্রী কেমন করে আকাশের দিকে উড়ে চলছে। কিশোর মন তাই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ—বদ্ধঘরে আবদ্ধ না থেকে এই পৃথিবীটা ঘুরেফিরে দেখবেই।
‘সংকল্প’ কবিতার কবি পরিচিতি ও মূলভাব জেনেছি, এবার এসো কিশোর মনের অদম্য কৌতূহলসমৃদ্ধ ‘সংকল্প’ কবিতায় ব্যবহৃত কয়েকটি শব্দের অর্থ। বাক্যরচনাসহ নমুনা প্রশ্নোত্তর দেখা যাক।
প্রশ্ন: নিচের শব্দগুলোর অর্থ লেখো।
সংকল্প, যুগান্তর, দেশান্তর, বরণ, ডুবুরি, দুঃসাহসী, চন্দ্রলোকে, অচিনপুর।
উত্তর:
প্রদত্ত শব্দ -শব্দের অর্থ
সংকল্প - প্রতিজ্ঞা, তীব্র ইচ্ছা
যুগান্তর - এক যুগের পর আরেক যুগ
দেশান্তর -  এক দেশ থেকে আরেক দেশ
বরণ - কোনো কিছু সাদরে গ্রহণ
ডুবুরি - যারা গভীর পানিতে ডুব দিয়ে কোনো জিনিস উদ্ধার করে আনে
দুঃসাহসী -  অত্যধিক সাহসী
চন্দ্রলোক -  চাঁদের দেশ
অচিনপুর - অচেনা জায়গা।
প্রশ্ন: নিচের শব্দগুলো দিয়ে বাক্য রচনা করো।
ফেড়ে, বরণ, ডুবুরি, মরণ যন্ত্রণা, বিশ্বজগৎ, সেঁচে, স্বর্গ।
উত্তর:
ফেঁড়ে -কাঠুরে কুড়াল দিয়ে কাঠটা ফেড়ে নিল।
বরণ - পয়লা বৈশাখে আমরা নতুন বছরকে বরণ করে নিই।
ডুবুরি - ডুবুরিরা মেঘনা নদীর গভীর তলদেশে নিমজ্জিত লঞ্চটি উদ্ধার করেছে।
মরণ-যন্ত্রণা-  সাহসী ব্যক্তি মরণ-যন্ত্রণাকে ভয় পায় না।
বিশ্বজগৎ - কবি বিশ্বজগৎ হাতের মুঠোয় পুরে দেখতে চান।
সেঁচে - ডুবুরিরা পানি সেঁচে মুক্তা আহরণ করে।
স্বর্গ-  স্বর্গপানে তাকিয়ে অলসভাবে বসে থাকলে জীবনে কারও উন্নতি হয় না।
# বাকি অংশ ছাপা হবে আগামীকাল
সিনিয়র শিক্ষক
আন-নাফ গ্রিন মডেল স্কুল, ঢাকা

বিজ্ঞাপন
শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন