আইইউবির স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপের ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া কোলাবোরেশন ইনিশিয়েটিভসের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই ট্রেডিং ল্যাবটি। এলবিএসএলের বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তা এবং আইইউবির ফিন্যান্স বিভাগের শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় ও শেষ বর্ষের বাছাইকৃত শিক্ষার্থীরা তাদের ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড পোর্টফোলিও ম্যানেজমেন্ট কোর্সের অংশ হিসেবে এই ল্যাবে দেশের দুই শেয়ারবাজার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের কার্যক্রম হাতে কলমে শিখতে পারবেন। এর মধ্যে রয়েছে বিও হিসাব খোলা ও পরিচালনা করা, শেয়ার কেনাবেচা ও লেনদেন, বাজার বিশ্লেষণের মতো বিষয়গুলো। এর পাশাপাশি এলবিএসএলের ওয়েব পোর্টাল এবং নিজস্ব কয়েকটি ট্রেডিং সফটওয়্যার ব্যবহারেরও সুযোগ পাবেন আইইউবির শিক্ষার্থীরা।

এ প্রসঙ্গে আইইউবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরা যদি শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার আগেই হাতেকলমে বিভিন্ন বিষয় শিখতে পারেন তাহলে পাশ করার পর তাদের জন্য ক্যারিয়ার শুরু করা সহজ হবে। এ কারণেই দেশের অর্থনীতির বিভিন্ন খাত যেমন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দূরত্ব কমিয়ে আনতে হবে।’

লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এ মঈন বলেন, একটি দেশের শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে সে দেশের পুঁজিবাজারের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। আইইউবির সঙ্গে লংকাবাংলার এই নতুন অংশীদারত্ব পুঁজিবাজার ছাড়িয়ে আরও বৃহত্তর পর্যায়ে সহযোগিতার পথ উন্মুক্ত করবে।’

আইইউবির উপাচার্য তানভীর হাসান বলেন, ‘আমাদের দেশের পুঁজিবাজারের আকার ছোট। ছোট পুঁজিবাজারে কিছু সমস্যা থেকেই যায়। এসব সমস্যা দূর করতে বিনিয়োগকারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। এতে করে বিনিয়োগে নামার আগে ঝুঁকির জায়গাগুলো তারা ভালোভাবে বুঝতে পারবে।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আইইউবির ট্রাস্টি তৌহিদ সামাদ, লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার সাফাত রেজা, আইইউবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান, স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপের (এসবিই) ডিন অধ্যাপক মেহেরুন আহমেদ এবং ফাইন্যান্স বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক সামিউল পারভেজ আহমেদ প্রমুখ।

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন