বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিকস প্রোগ্রামের উদ্বোধন উপলক্ষে গত ৩০ নভেম্বর ‘লঞ্চ ইভেন্ট অব ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি-ইউনিভার্সিটি অব কেন্ট কোলাবোরেশন’ শীর্ষক অনলাইন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী বিনিময়সংক্রান্ত চুক্তির বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে আলোকপাত করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চন্দ, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর ভিনসেন্ট চ্যাং এবং ইউনিভার্সিটি অব কেন্টের গ্লোবাল অ্যান্ড লাইফ লং লার্নিংয়ের পরিচালক এবং ডিন অ্যানি ম্যানিং।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ইকোনমিকস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন ফারজানা মুন্সী, রেজিস্ট্রার ডেভিড ড্যাউল্যান্ড, জেনারেল এডুকেশন অনুষদের ডিন সামিয়া হক এবং ইউনিভার্সিটি অব কেন্টের গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের (এমএসসি) পরিচালক অ্যান্ড্রি লুনভ ও রিডার ইন ইকোনমিকস জাকি ওয়াহাজ।

উদ্বোধনী বক্তব্যে ফারজানা মুন্সী ইকোনমিকস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস বিভাগ সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেন। সেই সঙ্গে উচ্চশিক্ষার গন্তব্য হিসেবে যুক্তরাজ্যের প্রতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান আগ্রহের বিষয়ে আলোকপাত করেন তিনি।

ভিনসেন্ট চ্যাং জানান, আন্তর্জাতিকীকরণ ও মানসম্পন্ন শিক্ষা হাতে হাত রেখে একসঙ্গে চলে। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে এই দশকের শেষ নাগাদ বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশের একটি গর্বিত আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়া। এই ধরনের সহযোগিতার রয়েছে সুদূরপ্রসারী প্রভাব, যা আগামী দিনে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিকে বিশ্বমানচিত্রে জায়গা করে দেবে।

ইউনিভার্সিটি অব কেন্টের অ্যাম্পুনি ম্যানিং ও অ্যান্ডি লুনভ তাঁদের বক্তব্যে ইউনিভার্সিটি অব কেন্টের বিভিন্ন প্রোগ্রাম ও দেশের সীমা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশ্ববিদ্যালয়টির নানা সম্পৃক্ততার কথা তুলে ধরেন।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য বিশ্বজিৎ চন্দ। তিনি জানান, এই ধরনের সহযোগিতা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সামনে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।

শিক্ষার্থী বিনিময়ের এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন বলেন, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও ইউনিভার্সিটি অব কেন্টের মধ্যকার এই সহযোগিতার ফলে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের উন্নয়নের চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন। বাংলাদেশে উন্নয়নযাত্রা সবার জন্য উদাহরণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সামিয়া হক তাঁর বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য মানবপুঁজির উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে এ ধরনের উদ্যোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ডেভিড ড্যাউল্যান্ড তাঁর সমাপনী বক্তব্যে বলেন, এই সহযোগিতা দেশি ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও স্টাফদের জন্য নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করবে।

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন