default-image

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরী বলেন, শিক্ষার ক্যালেন্ডার লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। প্রথম শ্রেণি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত এই ধাক্কা কোথায়, কীভাবে শেষ হবে বলা কঠিন। 
রাশেদা কে চৌধূরী বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরা হোঁচট খেয়ে উঠে দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে না। এই পরিস্থিতি কবে, কীভাবে স্বাভাবিক হবে, তাও কেউ জানে না।’ তাঁর মতে, সব ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া যায়। এ দেশের মানুষের ধৈর্য অনেক, তারা অসম্ভব পরিশ্রমী। অর্থনৈতিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষতিও কাটিয়ে ওঠা যায়। কিন্তু প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে শিক্ষার এই ক্ষতি বয়ে বেড়াতে হবে বলে মত দেন তিনি।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা নিয়ে কাজ করা এই বিশেষজ্ঞের মতে, ‘পড়াশোনা ছাড়াও এই শিশু-কিশোরদের মনমানসিকতার ভীষণ ক্ষতি হচ্ছে। তারা স্কুলে যেতে পারছে না, খেলতে পারছে না। নৃশংস সব ঘটনা দেখছে। এই চাপ ওরা কীভাবে নেবে, কতটা সামাল দিতে পারবে, সেটিও চিন্তার বিষয়।’
রাশেদা কে চৌধূরী মনে করেন, ‘এই নৃশংসতা, নিষ্ঠুরতা ও রাজনৈতিক হানাহানি আমরা যাঁরা বিবেকবান, বুদ্ধিমান তাঁদের জন্যই। কোটি কোটি শিক্ষার্থীর কথা মাথায় রেখে আমরা বড়রা যেন সুবিবেচনার পরিচয় দিই, এটাই কাম্য।’

বিজ্ঞাপন
শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন