বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গুগল ও অ্যাপলের ওই চুক্তি নিয়ে এখন সমস্যা হয়েছে। গুগলের প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্য সার্চের বাজারে ঢুকতে ও ব্যবসা বাড়াতে এ চুক্তি বাধা হয়ে আছে। সাফারিতে গুগল ছাড়াও ইয়াহু, বিং, ডাকডাকগোর মতো বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন আছে। কিন্তু তা সেটিংসে গিয়ে পরিবর্তন করতে হয়। ব্যবহারকারী ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে গুগলকে পেয়ে অন্য সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করেন না। এ কারণেই গুগল খুশি হয়ে অ্যাপলকে কোটি কোটি ডলার দিয়ে যাচ্ছে। এখন বাজার নিয়ন্ত্রকেদের চোখে অ্যাপল ও গুগলের এ চুক্তি একচেটিয়া বাজার দখল হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে।

যুক্তরাজ্য সরকার যদি অ্যাপল ও গুগলকে তাদের একচেটিয়া ব্যবসা চুক্তি থেকে বের হতে বাধ্য করে, তবে বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তেও এর প্রভাব পড়বে। বিষয়টি বুঝতে পেরেই অ্যাপল এখন নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন তৈরির পথে হাঁটছে। অ্যাপলের মতো বড় কোম্পানির জন্য নতুন সার্চ ইঞ্জিন তৈরি করা খুব কঠিন কিছু নয়।

বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, অ্যাপল নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন তৈরিতে বিনিয়োগ করার পাশাপাশি কর্মী নিয়োগ করছে। ইতিমধ্যে গুগল সার্চ পাশ কাটিয়ে স্পটলাইট সার্চে সরাসরি ফল দেখাতে শুরু করেছে। অ্যাপলের পক্ষ থেকে অ্যাবাউট অ্যাপলবট হালনাগাদও করা হয়েছে, যাতে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন–সংক্রান্ত বিষয়গুলো যুক্ত করা যায়।

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন