বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশের মাইনিং ও খনিজ–সম্পর্কিত বিষয়ে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণার প্রস্তাব দেন রাষ্ট্রদূত।

আর আর বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি মাইনিং ও খনিজ বিষয়ে প্রাধান্য দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। বাংলাদেশের মাইনিং ও খনিজ–সম্পর্কিত বিষয়ে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণার প্রস্তাব দেন রাষ্ট্রদূত। বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে গবেষণার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে আলোচনা করা হয়, যাতে দুই দেশের বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন শাখায় গবেষণা করা সম্ভব হবে।

সভা শেষে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী আর আর বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ অব মেডিসিন ও কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং পরিদর্শন করেন। এ সময় রাষ্ট্রদূতকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নত মানের প্রশিক্ষণপদ্ধতি ও কারিগরি বিষয় প্রদর্শন করা হয়।

আর আর বিশ্ববিদ্যালয় ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানে প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ইয়েমেনসহ বিভিন্ন মুসলিম দেশের শিক্ষার্থীরা অধ্যয়ন করছেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকেও বৃত্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নেওয়া হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবহিত করেন।

সভায় দূতাবাসের ইকোনমিক কাউন্সেলর মুর্তুজা জুলকারনাঈন নোমান ও কাউন্সেলর মো. বেলাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া রাষ্ট্রদূত মঙ্গলবার বিকেলে আর আরে অবস্থিত বাংলাদেশি কৃষিশ্রমিকদের কর্মক্ষেত্র একটি কৃষিখামার পরিদর্শন করেন। বাংলাদেশি কৃষিশ্রমিকেরা সেখানে লালশাক, মুলা, টমেটো, ফুলকপি, ডালিম ও জলপাইয়ের চাষাবাদ করছেন। প্রায় ৪০ বাংলাদেশি শ্রমিক সেখানে কাজ করছেন। রাষ্ট্রদূত এ সময় কৃষিশ্রমিকদের মরুভূমিতে চাষাবাদের অভিজ্ঞতার কথা শোনান।

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন