বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শুধু ইন্দোনেশিয়া নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হচ্ছে। বহুদিন পর শিশুদের কোলাহল শোনা যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আঙিনা থেকে। বাংলাদেশেও আর দুই দিন পরে (১২ সেপ্টেম্বর) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে।

চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে করোনা শনাক্তের পর কয়েক মাসের মধ্যে তা অন্য দেশেও ছড়িয়ে পড়ে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া শুরু করে দেশগুলোর সরকার। অনেক দেশ এরপর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার চেষ্টা করেছিল। তবে সেই সিদ্ধান্তে অটল থাকতে পারেনি। অনেক দেশে শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলের শ্রেণিকক্ষের দরজা সেই যে বন্ধ হয়েছে, আর খোলেনি।

জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) গত মাসে এক প্রতিবেদনে জানায়, করোনা মহামারির কারণে বিশ্বব্যাপী স্কুল বন্ধ থাকায় ১৬০ কোটি শিশু পড়ালেখার বাইরে চলে যায়। স্কুল বন্ধ থাকার কারণে শিক্ষার যে ক্ষতি, তা এসব শিশুর ভবিষ্যৎ আয়ের বিবেচনায় ১০ লাখ কোটি মার্কিন ডলারের সমান।

বিশ্বজুড়ে টিকাদান গতি পেয়েছে। করোনার সংক্রমণও কিছুটা কমেছে। তাই কিছু দেশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। কিছু দেশ ইতিমধ্যে খুলে দিয়েছে। বিশ্বব্যাংক সম্প্রতি জানায়, ১৪১টি দেশে কিছু কিছু পাঠদান সরাসরি শুরু হয়েছে। তবে দেশগুলোর দুই-তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থী এখনো পুরোপুরি শ্রেণিকক্ষে ফিরে যেতে পারেনি।

দেশে দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও ইউনিসেফ। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মীদের টিকাদানের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখার আহ্বান জানিয়েছে তারা। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতের পরামর্শও দিয়েছে সংস্থা দুটি।

দক্ষিণ এশিয়ায় খুলছে স্কুল-কলেজ

করোনায় সংক্রমণের সংখ্যা ও মৃত্যুর দিক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত। তবে দেশটিতে সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটোই কমেছে। করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর বৈশ্বিক হালনাগাদ তথ্য প্রকাশকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ মে এক দিনে দেশটিতে ৪ লাখের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছিল। চার মাস পর অর্থাৎ ৫ সেপ্টেম্বর ভারতে শনাক্তের সংখ্যা ছিল ৪০ হাজারের কম। এই পরিস্থিতিতে ১ সেপ্টেম্বর থেকে দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে খুলতে শুরু করেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনার বিধিনিষেধের কারণে ভারতে প্রায় ১৮ মাস স্কুল-কলেজে সরাসরি পাঠদান বন্ধ ছিল। ১ সেপ্টেম্বর থেকে বেশ কিছু রাজ্যে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে ফিরতে শুরু করেছে। ওই দিন রাজধানী দিল্লি, তামিলনাড়ু, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, তেলেঙ্গানা, পদুচেরি, অরুণাচল প্রদেশে নবম ও দ্বাদশ শ্রেণিতে সশরীর পাঠদান শুরু হয়। আসামে নবম থেকে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের আর উত্তর প্রদেশে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে সশরীর পাঠদান শুরু হয়েছে। এর আগে কর্ণাটকে স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হয়। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে খুলবে দেশটির উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও।

স্কুল-কলেজ খোলার বিষয়ে সাধারণ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিশেষজ্ঞ কমিটি। তার মধ্যে রয়েছে: স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মীদের প্রত্যেকের শরীরের তাপমাত্রা মাপা, এক বেঞ্চে একজন (অর্থাৎ শ্রেণিকক্ষে অর্ধেক) শিক্ষার্থী, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করতে টিফিন (দুপুরের খাবার) বিরতি বাতিল এবং স্কুল প্রাঙ্গণেই আইসোলেশনের (আলাদা থাকা) ব্যবস্থা করা। ভারতে টিকাদানের বয়সসীমা ১৮ থেকে ১২ বছরে নামিয়ে আনা হয়েছে। আগামী মাসে শিশুদের টিকা দেওয়া হবে।

নেপালের পত্রিকা কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, দেশটিতে গত মে মাসে করোনার সংক্রমণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে ছিল। এখন তা কমছে। এই পরিস্থিতিতে আগামী সপ্তাহ থেকে খুলবে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর স্কুলগুলো।

পাকিস্তানের বেশির ভাগ অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গত ৭ জুন থেকে সশরীর পাঠদান শুরু হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস চলছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষক ও কর্মীদের টিকাদানের ওপর জোর দিয়েছে দেশটি। শ্রীলঙ্কায় গত জুলাইয়ে স্কুল খোলা হয়। ভারতের পিটিআইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শ্রীলঙ্কায় যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০০–র কম, সেগুলোই খোলা রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে গত ফেব্রুয়ারি থেকে স্কুল খোলা রয়েছে ভুটানে।

এশিয়ার অন্য দেশের পরিস্থিতি

করোনার উদ্বেগজনক সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যেই তুরস্কে স্কুল খুলেছে। গত সোমবার দেশটিতে নতুন শিক্ষাবর্ষের সরাসরি পাঠদান শুরু হয়। সপ্তাহে পাঁচ দিন চলবে ক্লাস।

তুরস্কের সংবাদপত্র ডেইলি সাবাহ জানিয়েছে, দেশটিতে বর্তমানে দৈনিক সংক্রমণ শনাক্ত হচ্ছে ২০ হাজারের ওপরে, যা গত এপ্রিলের চেয়ে কম। তবে জুনের চেয়ে অনেক বেশি। এর মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালুর জন্য দেশটির সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে।

তুরস্কের সরকার দেশটির ৫৮ হাজার বিদ্যালয়ে মাস্ক ও জীবাণুনাশক কেনা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য প্রায় ৮০ কোটি মার্কিন ডলার বরাদ্দ দিয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য ১ লাখ ১৩ হাজার কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। স্কুলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে ‘ডেটা ইন্টিগ্রেশন’ নামে একটি ব্যবস্থা চালু করেছে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। স্বাস্থ্যবিধি মানা এবং শিক্ষক, কর্মী ও অভিভাবকদের পূর্ণ ডোজ টিকা নেওয়া বাধ্যতামূলক করাসহ আরও কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে তুরস্ক।

জাপান টাইমস–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে থাকায় দেশটিতে ১ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল খুলে দেওয়া হয়। মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা বাধ্যতামূলক। শ্রেণিকক্ষে স্বল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে পাঠদান শুরু করতে স্কুলগুলোকে বলে দিয়েছে জাপানের শিক্ষা বিভাগ।

চীনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয় গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে। মালয়েশিয়ায় এ মাসের প্রথম দিন থেকে স্কুল-কলেজ খোলার কথা ছিল। তবে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় দেশটির সরকার পিছু হটেছে। নতুন সিদ্ধান্ত হলো, ৩ অক্টোবর খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

কী করছে ইউরোপ

ইউরোপের দেশগুলো টিকাদানে এগিয়ে। সেখানে সংক্রমণও কমেছে। ফলে সম্প্রতি বিভিন্ন দেশ সরাসরি পাঠদান শুরু করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যমতে, ফ্রান্সে গত বছরের অক্টোবর ও নভেম্বরে করোনার সংক্রমণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে ছিল। ওই সময় দেশটিতে দিনে ৫০ হাজারের মতো রোগী শনাক্ত হতো। চলতি মাসে দৈনিক শনাক্তের সংখ্যা ১০ থেকে ১৫ হাজারের মধ্যে দাঁড়িয়েছে।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম ফ্রান্স টোয়েন্টিফোর জানিয়েছে, সংক্রমণ কমতে শুরু করায় ফ্রান্সের স্কুলগুলোতে ২ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন শিক্ষাবর্ষের সরাসরি পাঠদান শুরু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশটির ১ কোটি ২০ লাখ শিশু স্কুলে ফিরেছে। অবশ্য করোনার ডেলটা ধরনের (ভারতে শনাক্ত) কারণে ইউরোপজুড়ে নতুন করে সংক্রমণ বাড়ছে। এ জন্য স্কুল চালু রাখার ক্ষেত্রে বেশ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

ফ্রান্স টোয়েন্টিফোরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটিতে ছয় বছর বা তার বেশি বয়সী শিক্ষার্থীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। শিশুদের বারবার হাত ধোয়া, শ্রেণিকক্ষে বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, দূরত্ব বজায় রেখে আসন বসানো, স্কুলে খেলাধুলা নিষিদ্ধ করাসহ নানা ব্যবস্থা নিতে স্কুলগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে ফ্রান্স সরকার। কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যদি কোনো শিশুর করোনা শনাক্ত হয়, তাহলে ওই বিদ্যালয় সাত দিন বন্ধ রাখতে হবে। কোনো শিশুর করোনা শনাক্ত হলে তার সংস্পর্শে আসা অন্য শিশুদের অন্তত সাত দিন আইসোলেশনে থাকতে হবে।

ফ্রান্সে টিকাদানের বয়সসীমা ১২ বছরে নামিয়ে আনা হয়েছে। স্কুলেও টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সব শিক্ষককে টিকার আওতায় আনা হচ্ছে।

ফ্রান্সের প্রতিবেশী জার্মানিতে গত আগস্টের প্রথম দিকে স্কুল-কলেজ খুলেছে বলে জানানো হয় ফ্রান্স টোয়েন্টিফোরের প্রতিবেদনে। তবে মানতে হবে নানা স্বাস্থ্যবিধি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইতালিতে গত সপ্তাহেই স্কুল-কলেজের দরজা খুলেছে। তবে শুরুতে শুধু শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা যাবেন। তাঁরা সামাজিক দূরত্ব মেনে শ্রেণিকক্ষ সাজানোর কাজ করবেন। স্কুলে প্রবেশের শর্ত হিসেবে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের অন্তত ১ ডোজ টিকা নিতে হবে। টিকা না নিলে ছয় মাসের মধ্যে কোভিড-১৯ থেকে সেরে ওঠার প্রমাণ অথবা স্কুল প্রাঙ্গণে প্রবেশের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে করোনা পরীক্ষায় ‘নেগেটিভ’ ফল আসার সনদ দেখাতে হবে। ২০ সেপ্টেম্বর দেশটিতে সরাসরি পাঠদান শুরু হতে পারে। ইতালির সরকার ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের টিকাদান কার্যক্রমও জোরদার করেছে।

যুক্তরাজ্যে শরৎকালীন শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার কথা ছিল ১ সেপ্টেম্বর। কিন্তু ডেলটা ধরনের কারণে দেশটিতে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে। এতে সরাসরি পাঠদান শুরু কিছুটা পিছিয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে যুক্তরাজ্যে দৈনিক গড় সংক্রমণ ৪০ হাজারের মতো ছিল। তবে দেশটি করোনার সবচেয়ে ভয়াবহ সময় পার করে গত জানুয়ারিতে। ওই সময় যুক্তরাজ্যে দৈনিক ৬০ হাজারের বেশি করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হতেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের সরকার নির্বিঘ্নে পাঠদান নিশ্চিত করতে স্কুলে আসার আগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণটিকাদান ও করোনার গণপরীক্ষার ওপর জোর দিচ্ছে। দেশটির পরিকল্পনা হলো, ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক হারে টিকাদানের আওতায় আনা হবে। ১৬ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের ইতিমধ্যে টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। সব শিক্ষককে টিকাদান নিশ্চিত করা হবে। তবে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে মাস্ক না পরলেও চলবে।

এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ক্ষেত্রে শ্রেণিকক্ষে বায়ু চলাচলের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা, যতটা সম্ভব ক্লাসে কমসংখ্যক শিক্ষার্থী রাখা, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা ও প্রতিনিয়ত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের করোনার পরীক্ষার ওপর জোর দিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপ অঞ্চলের পরিচালক ডা. হানস ক্লুগ। গত সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, শিক্ষা কার্যক্রমের ইতিহাসে সবচেয়ে বিপর্যয়কর ব্যাঘাত ঘটিয়েছে করোনা মহামারি। তাই যেসব অঞ্চলে স্কুল খোলা হয়েছে, সেখানে শ্রেণিকক্ষভিত্তিক পাঠদান চালিয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। শিশুর শিক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য ও সামাজিক দক্ষতা অর্জনের জন্যও এটা জরুরি।

‘নজরদারি জরুরি’

দেশে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে ১৯ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। এর মধ্যে রয়েছে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে শ্রেণিকক্ষের বেঞ্চ সাজানো, স্কুলে ঢোকার আগেই তাপমাত্রা পরীক্ষা, সবার জন্য মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা ইত্যাদি। প্রশ্ন হলো, এসব বিধি কতটুকু মানা হবে।

জনস্বাস্থ্যবিদ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাবলিক হেলথ অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য আবু জামিল ফয়সাল প্রথম আলোকে বলেন, সাধারণভাবে কেউ স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। এই প্রবণতা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও যাতে না দেখা যায়। এ জন্য স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে নজরদারির সমন্বিত পরিকল্পনা করতে হবে।

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন