default-image

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। আন্তমন্ত্রণালয় সভায় ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগেই প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষক-কর্মচারীকে টিকা দেওয়া হবে।

গতকাল বুধবার নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার খিলপাড়ায় চাটখিল ও সোনাইমুড়ী উপজেলার ২৩৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘মুজিব বর্ষ’ লোগোসংবলিত স্কুলপোশাক ও ব্যাগ বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, ঝরে পড়া রোধ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার প্রাথমিক স্তরের শতভাগ শিক্ষার্থীর মধ্যে দুপুরে রান্না করা খাবার ও বিনা মূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ এবং উপবৃত্তি প্রদান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। ঝরে পড়া রোধ ও ছাত্রছাত্রীদের দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদাকল্পে ‘জাতীয় স্কুল মিলনীতি ২০১৯’ ইতিমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

প্রতিমন্ত্রী চাটখিল ও সোনাইমুড়ী উপজেলার ২৩৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘মুজিব বর্ষ’ লোগোসংবলিত স্কুলপোশাক ও ব্যাগ বিতরণ করেন।

মুজিব বর্ষ উপলক্ষে রহমত উল্যাহ ও আজিজা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ এইচ এম ইব্রাহিম, কুড়িগ্রাম-১ আসনের সাংসদ মো. আছলাম হোসেন সওদাগর, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. খোরশেদ আলম খান, চাটখিল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির প্রমুখ।

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন