তবে তাঁদের সবার সঙ্গে হল প্রশাসন নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছে। হলে ওঠার পর ছাত্রলীগের কারও মাধ্যমে এখনো হুমকি-ধমকির শিকার হননি বলে তাঁরা জানিয়েছেন।

হলের ২৫৭ নম্বর কক্ষে ওঠা স্বাধীন আহমদ জানান, হলে তুলে দেওয়ার পর সামান্য সমস্যা হয়েছিল। প্রাধ্যক্ষসহ হল প্রশাসন খোঁজখবর নিচ্ছে নিয়মিত। শিক্ষার্থীদের হলে ওঠার দুর্ভোগ কমাতে সব হলে এ ধরনের অভিযান চালানো দরকার।

হলের ৪৬৪ নম্বর কক্ষের আরিফুল ইসলাম বলেন, তাঁকে এখন পর্যন্ত ছাত্রলীগের কেউ কিছু বলেননি। ওই রাতে হলে ওঠা সাজেদুল ইসলাম বলেন, হলে ওঠার পর তাঁরও কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি। এখন তিনি ঈদের ছুটিতে বাড়িতে আছেন।

প্রশাসনের উদ্যোগে হলে উঠতে না পারা বাকি ২৪ জনের কে কোথায় আছেন—এ নিয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সেদিন বেশির ভাগ শিক্ষার্থী ছাত্রলীগের ভয়ে হলে আসেননি। তাঁদের মধ্যে অন্তত ১০ শিক্ষার্থী আস্থা পাননি হল প্রশাসনের ওপর।

তাঁদের কেউ কেউ বলছেন, সেদিন বিকেল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত হল প্রশাসন কাউকে তুলতে পারছিল না। তাঁরা ভেবেছিলেন, ছাত্রলীগের বাধায় কাউকেই হয়তো শেষ পর্যন্ত হল প্রশাসন তুলতে পারবে না।

হল প্রাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ওই দিন হয়তো অনেকেই আসেননি, অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে মেস ছাড়তে চাননি। তবে যে ২০ জন এসেছিলেন, তাঁদের সবাইকে তাঁরা তুলেছেন। বাকি ২৪ জনের কয়েকজন যোগাযোগ করেছেন হলে। তাঁদের ঈদের পর তোলা হবে। হলে তুলে দেওয়া অন্য ২০ জনকে কেউ এখনো হুমকি-ধমকি দেয়নি।

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন