বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল প্রথম আলোকে বলেন, ডিনস কমিটিতে হওয়া প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৩ জুন ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত গ ইউনিটের মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এবারের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে। এরপর ৪ জুন কলা অনুষদভুক্ত খ ইউনিট, ১০ জুন বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ক ইউনিট ও ১১ জুন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ঘ ইউনিট আর ১৭ জুন চারুকলা অনুষদভুক্ত চ ইউনিটের সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি পরীক্ষা হবে বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের যোগ্যতা এবার কমছে উল্লেখ করে মাকসুদ কামাল বলেন, এবার ক ইউনিটে আবেদন করতে হলে এসএসসি ও এইচএসসিতে আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ-৩.৫সহ মোট ৮ (আগে ছিল ৮.৫); খ ইউনিটে আলাদাভাবে জিপিএ-৩সহ মোট ৭.৫ (আগে ছিল ৮); গ ইউনিটে আলাদাভাবে জিপিএ-৩.৫-সহ মোট ৭.৫ থাকতে হবে (আগে ছিল ৮)। বিভাগ পরিবর্তনের ঘ ইউনিটে নিজ নিজ ইউনিটে যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে আবেদন করা যাবে। এ ছাড়া চ ইউনিটে আবেদন করতে হলে এসএসসি ও এইচএসসিতে আলাদাভাবে জিপিএ-৩-সহ মোট ৬.৫ থাকতে হবে (আগে ছিল ৭)। ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত অনলাইনে ভর্তির আবেদন গ্রহণ করা হবে।

শিক্ষার্থীদের ‘অর্থের সাশ্রয় ও ভোগান্তি লাঘবের জন্য’ গতবারের মতো এবারও বিভাগীয় শহরগুলোর কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সহ-উপাচার্য। তিনি আরও বলেন, ক, খ, গ ও ঘ ইউনিটে মোট ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা হবে। এ ক্ষেত্রে ৬০ নম্বরের বহুনির্বাচনী ও ৪০ নম্বরের বর্ণনামূলক (লিখিত) পরীক্ষা হবে। এ জন্য ৪৫ মিনিট করে সময় থাকবে দেড় ঘণ্টা। চ ইউনিটে সাধারণ জ্ঞান অংশে ৪০ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষা হবে। সময় ৩০ মিনিট। এর ফলাফলের ভিত্তিতে পরে মেধাক্রম অনুযায়ী ১ হাজার ৫০০ জন অঙ্কন (৬০ নম্বরের) পরীক্ষায় অংশ নেবেন। অঙ্কন পরীক্ষার জন্য সময় ৪৫ মিনিট। পাঁচটি ইউনিটেই প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে এসএসসি ও এইচএসসির জিপিএর ওপর ১০ করে মোট ২০ নম্বর যোগ করে মেধাতালিকা তৈরি করা হবে।

এদিকে এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসনসংখ্যা কমছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেট গত মাসে আসনসংখ্যা ১ হাজার ৪০টি কমানোর অনুমোদন দিয়েছে। এ অনুযায়ী এখন আসনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৮৫টি, যা আগে ছিল ৭ হাজার ১২৫টি। অর্থাৎ এ বছর আগের তুলনায় ১ হাজার ৪০ জন কম শিক্ষার্থী ভর্তি হবেন।

ভর্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন