সমাবেশের আয়োজকেরা বলেন, করোনা সংক্রমণ ও অটো প্রমোশনে শিক্ষার্থীরা নাজেহাল। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত না হওয়ায়, অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী ভালো জিপিএ অর্জন করতে পারেননি। শিক্ষামন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন, ভর্তি পরীক্ষায় জিপিএ কোনো সমস্যা হবে না। এমন অবস্থায় ২০ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় সব শিক্ষার্থীদের বসতে না দিলে, তাঁরা কীভাবে তাঁদের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ পাবেন? তাই মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগের মতো বিজ্ঞান বিভাগের সব শিক্ষার্থীর ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগের দাবিতে এ কর্মসূচি।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাভাবিকভাবে আলাদা পরীক্ষা নিলে কমপক্ষে ৫০ হাজার শিক্ষার্থীর যদি পরীক্ষা নিত, তাহলে কমপক্ষে ১০ লাখ পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু গুচ্ছে মাত্র ১ লাখ ৩১ হাজার শিক্ষার্থী সুযোগ পাচ্ছেন। এভাবে শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণে বাধা দেওয়া উচিত নয়। এতে হয়রানি কমছে না, বরং আরও বাড়বে।

default-image

এ বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার ভর্তি পরীক্ষার উপাচার্যদের সমন্বয়ে গঠিত কোর কমিটির আহ্বায়ক এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদ উদ্দীন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ‘বিজ্ঞান বিভাগের নির্দিষ্টসংখ্যক শিক্ষার্থী আবেদন না করলে, পরবর্তী সময়ে মেধাতালিকা প্রকাশ করে শিক্ষার্থীদের আবেদন চাওয়া হবে। এখন যাঁরা মনোনীত হতে পারেননি, সে সময় তাঁরা মনোনয়ন পেতে পারেন। আশা করি বিজ্ঞান বিভাগেও আগ্রহী সব শিক্ষার্থী চূড়ান্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন’।

ভর্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন