বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে ১৫ ডিসেম্বর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির লটারি অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অধীনে এবার সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে ডিজিটাল ব্যবস্থায় এই লটারির কাজ করে দিচ্ছে সরকারি মোবাইল অপারেটর টেলিটক।

শিক্ষামন্ত্রী আগেই ঘোষণা দিয়েছেন, আসন্ন শিক্ষাবর্ষের মতো ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির কাজটি হবে। ভর্তির জন্য কোনো পরীক্ষা হবে না।

আজকের অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ভর্তির ক্ষেত্রে আগে যা দেখা যেত, সেটা ভর্তির যুদ্ধ। এই রকম একটি যুদ্ধের অবস্থা থেকে তাঁরা বেরিয়ে আসতে চান। যেসব নেতিবাচক চর্চা রয়েছে, তা থেকে বেরিয়ে ইতিবাচক দিকে আসতে চাচ্ছেন। লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির ফলে বিদ্যালয়গুলোতে মেধার সমতা প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল খায়ের প্রথম আলোকে জানান, কেন্দ্রীয় এই লটারির আওতায় আসা বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে বিভিন্ন শ্রেণিতে প্রায় পৌনে তিন লাখ শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে।

লটারির ফল (http://gsa.teletalk.com.bd) ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া যাচ্ছে। অবশ্য অনেক বিদ্যালয় পৃথকভাবেও লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করছে।

ভর্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন