default-image

করোনার কারণে পরীক্ষা ছাড়াই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার মূল্যায়নের ফল প্রকাশের আইনি বাধা চূড়ান্তভাবে কেটে গেল। কারণ, এ–সংক্রান্ত সংশোধিত আইন গতকাল সোমবার গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বিল তিনটিতে সম্মতি দিয়েছেন।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তার বলছেন, এইচএসসি মূল্যায়নের ফল সরকারনির্ধারিত তারিখে প্রকাশ করা হবে।

তবে এর আগে আইনের খসড়াটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেছিলেন, ২৮ জানুয়ারির মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ফল ঘোষণা করা হবে। কিন্তু গতকাল সোমবার পর্যন্ত ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা ফল প্রকাশের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ বলতে পারেননি।

বিজ্ঞাপন
default-image

দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ শিক্ষার্থীর এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল। পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের ১ এপ্রিল থেকে। কিন্তু করোনাভাইসের প্রকোপ বাড়তে শুরু করলে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর গত বছরের ৭ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, পঞ্চম ও অষ্টমের সমাপনীর মতো এইচএসসি পরীক্ষাও এবার নেওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেছিলেন, অষ্টম শ্রেণির সমাপনী এবং এসএসসির ফলাফলের গড় করে এবারের এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হবে। জেএসসি-জেডিসির ফলাফলকে ২৫ এবং এসএসসির ফলকে ৭৫ শতাংশ বিবেচনায় নিয়ে উচ্চমাধ্যমিকের ফল ঘোষিত হবে।

পরে মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নেয়, অধ্যাদেশ জারি না করে সরাসরি এ অধিবেশনের শুরুতে বিলটি উত্থাপন করে পাস করার ব্যবস্থা করা হবে। সংসদে এ–সংক্রান্ত তিন বিল উত্থাপন করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ‘ইন্টারমিডিয়েট অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০২১’, ‘বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) বিল-২০২১’ ও ‘বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) বিল-২০২১’ সংসদে কণ্ঠভোটে পাস হয়। এ–সংক্রান্ত সংশোধিত আইন গতকাল গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

পরীক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন