বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ২৬ অক্টোবর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হলেও আজ সোমবার ওই সভার কার্যবিবরণী প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, ২৬ অক্টোবরের সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষাসচিব গোলাম মো. হাসিবুল আলম বলেন, ২০২০ শিক্ষাবর্ষে যেভাবে নিজ নিজ বিদ্যালয়ের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হয়েছে, সেভাবে ২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদেরও মূল্যায়ন করা যেতে পারে। সভার সভাপতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেনসহ সভায় উপস্থিত সবাই এ বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

করোনা পরিস্থিতির কারণে গত বছরও এসব পরীক্ষা হয়নি। পরীক্ষা ছাড়াই শিক্ষার্থীদের ওপরের শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হয়।

ঢাকার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন প্রধান শিক্ষক প্রথম আলোকে বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে গত বছরও প্রথাগত বার্ষিক পরীক্ষা হয়নি। তখন অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ‘শিখন অগ্রগতি যাচাই’ করে ওপরের শ্রেণিতে ওঠানো হয়েছিল।

এর আগে গত মাসেই জানা যায়, এ বছর পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা হচ্ছে না। ওই সময় এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে নির্দেশনা চেয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় যে সারসংক্ষেপ পাঠিয়েছিল, সেটি অনুমোদন হয়ে ফিরে আসে। ২৬ অক্টোবর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয় যে এ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা হবে না।

অন্যদিকে এ বছরের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষাও হচ্ছে না। তবে মাধ্যমিকে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত তিন বিষয়ে (বাংলা, ইংরেজি ও গণিত) বার্ষিক পরীক্ষা এবং দশম শ্রেণির প্রাক্-নির্বাচনী পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

পরীক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন