বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির ভয়াবহতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের। লেখাপড়ার এ ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বিদ্যালয়ে পাঠদানের পাশাপাশি অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের করোনা থেকে সুরক্ষা ও শিক্ষার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে শিক্ষা কর্মকর্তা, শিক্ষকসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সবাইকে সচেতন হতে হবে। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের শতভাগ সুরক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন আরও বলেন, ‘দেশে করোনা সংক্রমণের হার নিম্নগামী, যা ৫ শতাংশের কাছাকাছি চলে এসেছে। কিছুদিনের মধ্যে হয়তো ৫ শতাংশের নিচে নেমে আসতে পারে। তখন স্বাভাবিক জীবনে আমরা ফিরে আসব এবং শিক্ষা কার্যক্রম পুরোদমে শুরু করতে পারব।’

মতবিনিময় সভায় লালমনিরহাট জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান, পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা, বিভাগীয় উপপরিচালক মো. মুজাহিদুল ও জেলা প্রশাসক মো. জাফর বক্তব্য দেন।

পরীক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন