default-image

মাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ৩০ কর্মদিবসের ভিত্তিতে করা পাঠ্যসূচি বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে ১ নভেম্বর থেকে। এ বিষয়ে রোববার নির্দেশনা জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
গত বুধবার শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এই ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেসময় তিনি বার্ষিক পরীক্ষা ছাড়াই মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষার্থী ওপরের শ্রেণিতে ওঠার ঘোষণা দেন।  
মাউশির নির্দেশনায় বলা হয়, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) প্রণয়ন করা এই পাঠ্যসূচি অনুসরণ করতে হবে। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা এনসিটিবি’র ওয়েবসাইটে (www.dshe.gov.bd) যথাসময়ে প্রকাশ করা হবে। এই পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে অ্যাসাইনমেন্টের (নির্ধারিত কাজ) জন্য বিষয়বস্তু নির্ধারণ করা হয়েছে। বিষয়বস্তু অনুযায়ী করা ‘অ্যাসাইনমেন্ট’ প্রতি সপ্তাহে মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে পাঠানো হবে। অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া বা গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানেরা শ্রেণিভিত্তিক কর্মসূচি নির্ধারণ ও আলাদাভাবে দেওয়া এবং গ্রহণের ব্যবস্থা করবেন। এ ক্ষেত্রে অনলাইনের সাহায্যে বা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রতিষ্ঠান প্রধান বা অভিভাবক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অ্যাসাইনমেন্ট শিক্ষার্থীদের কাছে দেবেন ও গ্রহণ করবেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অ্যাসাইনমেন্ট ব্যতীত মূল্যায়ন সংক্রান্ত অন্য কোনো কার্যক্রম (যেমন পরীক্ষা গ্রহণ, বাড়ির কাজ দেওয়া ইত্যাদি) গ্রহণ করতে পারবেন না।

বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া অ্যাসাইনমেন্ট মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের দুর্বল দিক চিহ্নিত করবেন ও পরবর্তী শিক্ষাবর্ষে সেগুলোর ওপর বিশেষ নজর দিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধানেরা শিক্ষকদের মূল্যায়নসহ অ্যাসাইনমেন্টগুলো সংরক্ষণের ব্যবস্থা করবেন। কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে স্থানান্তরিত শিক্ষার্থীরা কাছাকাছি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অ্যাসাইনমেন্ট সংগ্রহ বা জমা দিতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে অভিভাবক বা শিক্ষার্থী তার নিকটবর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে সব আঞ্চলিক উপপরিচালক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা, উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সমন্বয় করবেন।

মন্তব্য পড়ুন 0