অসংগতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় পদত্যাগ

বিজ্ঞাপন
default-image

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন নীলদলের একাংশের বিভিন্ন অসংগতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ তুলে সংগঠনটির কার্যনির্বাহী সদস্য পদ থেকে এক শিক্ষক পদত্যাগ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শামছুল কবির নীতিগত আদর্শ উপেক্ষিত, পরস্পরের সমন্বয়হীনতা, সম্মান, মূল্যবোধের ঘাটতি, ব্যক্তিস্বার্থ, কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা ও জামায়াত-বিএনপি সমর্থনকারীর অনুপ্রবেশের অভিযোগ করে পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংগঠন সূত্রে জানা যায়, গত ৫ মার্চ ‘কার্যনির্বাহী পর্ষদ ২০১৯-২০২০’-এর কার্যনির্বাহী সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দেন শামছুল কবির। যা গত মঙ্গলবার কার্যনির্বাহী কমিটি ও অনুষদ কমিটির সভায় গৃহীত হয়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সংগঠনটির তিন মেয়াদে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কার্যনির্বাহী সদস্য এবং সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শামছুল কবির প্রথম আলোকে বলেন, ‘যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে নীলদল গঠন হয়েছিল তা ২০১৮ সালের পর থেকে সম্পূর্ণরূপে ব্যত্যয় হচ্ছে। সংগঠনে পারস্পরিক সম্পর্ক, ভ্রাতৃত্ববোধ, সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক, বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাবের অভাব দীর্ঘদিন ধরে। বর্তমানে এটি ব্যক্তিকেন্দ্রিক, একচেটিয়া কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা, সুবিধাভোগী ও অঞ্চলপ্রীতির কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। অসংখ্য জামায়াত-বিএনপি সমর্থিত শিক্ষক ঢুকে পড়েছে। তাদের নিয়মনীতি, নির্ধারণী মোতাবেক এই সংগঠন পরিচালিত হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের আদর্শ কতটুকু ধারণ করছে তা সন্দিহান। সম্প্রতি অধিকাংশ জাতীয় ও দলীয় কর্মসূচিও পালন করা হচ্ছে না। বারবার সংগঠনকে বিষয়গুলো অবহিত করার পরেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ-দর্শনে বিশ্বাসী হয়ে এগুলো মেনে নিতে চাই না।’

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নীলদলের সাধারণ সম্পাদক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোস্তফা কামাল বলছেন অন্য কথা। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা তাঁকে অব্যাহতি দিয়েছি। তাঁর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল ও প্রশাসনকে বিব্রত করার তথ্যপ্রমাণ আমরা পেয়েছি। যা নীলদলের দলের সদস্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য না, সমর্থন করে না। সভায় এ বিষয়ে নিন্দা প্রকাশ করা হয়েছে।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন