বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভর্তিপ্রাপ্ত গবেষক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক পিএইচডি প্রোগ্রামে তিন বছর মেয়াদে ২০ হাজার টাকা এবং এমফিল প্রোগ্রামে দুই বছর মেয়াদে ১৫ হাজার টাকা হারে মাসিক ফেলোশিপ ও আবাসিক অন্যান্য সুবিধা পাবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, আবেদনকারীর যোগ্যতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এবং প্রাথমিক আবেদনপত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (www.ru.ac.bd/ibs/) থেকে ডাউনলোড করা যাবে। এ ছাড়া ২০ টাকার ডাকটিকিট সংযুক্ত করে নিজ ঠিকানাসংবলিত খাম সচিব, আইবিএস, রাবি বরাবর পাঠিয়ে ডাকযোগেও সংগ্রহ করা যাবে। প্রয়োজনে ০২৫৮৮৮৬৬৭৫৩ নম্বরে ফোন বা [email protected] ঠিকানায় ই–মেইল করা যাবে।
আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২২।

এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি–ইচ্ছুক প্রার্থীদের জন্য আগামী ১৯ মার্চ লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার তারিখ পরে জানানো হবে।

প্রয়োজনীয় তথ্য

* আবেদনকারীকে প্রাথমিক আবেদনপত্রের সঙ্গে সব পরীক্ষার সনদ ও মার্কসশিট সার্টিফিকেটের কপি সংযুক্ত করতে হবে। পূরণকৃত আবেদনের সঙ্গে দুই হাজার টাকা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রণী ব্যাংকের অনুকূলে ‘পরিচালক (পরীক্ষা তহবিল), আইবিএস’ নামে বিদ্যমান সঞ্চয়ী হিসাব (২০০০০২২২৮০৯০) নম্বরে অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। টাকা জমার রসিদসহ সব একাডেমিক সার্টিফিকেট ও গবেষণা প্রস্তাবনা জমা দিতে হবে।

* চাকরিরত প্রার্থীকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

* আবেদনকারী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে মৌখিক পরীক্ষায় অবতীর্ণ হবেন এবং উভয় পরীক্ষায় সন্তোষজনক ফলাফলের ভিত্তিতে এমফিল ও পিএইচডি মিলে মোট ৩০ জন প্রার্থীকে মনোনীত করা হবে। মৌখিক পরীক্ষার পর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীকে সব মূল সনদ দেখিয়ে ভর্তি হতে হবে।

এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তির যোগ্যতা

১. প্রার্থীর অবশ্যই এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় সনাতন পদ্ধতিতে যেকোনো একটিতে প্রথম বিভাগ অন্যটিতে ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ অথবা গ্রেডিং পদ্ধতিতে উভয় পরীক্ষায় প্রতিটিতে চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম জিপিএ ৩.৭৫ থাকতে হবে।

২. কলা/সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে স্নাতক সম্মান/সমমান এবং স্নাতকোত্তর পরীক্ষার সনাতন পদ্ধতিতে যেকোনো একটিতে ন্যূনতম ৫৫ শতাংশ ও অন্যটিতে ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। তবে কলা অনুষদভুক্ত ইংরেজি বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রে উভয় পরীক্ষায় ৫০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে অথবা গ্রেডিং পদ্ধতিতে সিজিপিএ ৪ স্কেলের মধ্যে উভয় পরীক্ষার একটিতে ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.২৫ ও অন্যটিতে ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে।

* আইন/বিজ্ঞান/বিজনেস স্টাডিজ/জীব ও ভূবিজ্ঞান/কৃষি/প্রকৌশল অনুষদভুক্ত বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে স্নাতক সম্মান/সমমান এবং স্নাতকোত্তর পরীক্ষার সনাতন পদ্ধতিতে উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫৫ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে অথবা গ্রেডিং পদ্ধতিতে সিজিপিএ ৪ স্কেলের মধ্যে উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.২৫ থাকতে হবে।

* এমবিবিএস/বিডিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সনাতন পদ্ধতিতে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। ডিভিএম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সনাতন পদ্ধতিতে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর অথবা গ্রেডিং পদ্ধতিতে সিজিপিএ ৪ স্কেলের মধ্যে ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.৫০ থাকতে হবে।

৩. যেসব প্রার্থীর ওপরে বর্ণিত (১) ও (২)-এর শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো (পৃথক পৃথকভাবে) একটি শর্ত পূরণ হয় না, তাঁরা এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন, যদি তাঁদের (ক) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে/বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত)/ সরকারি কলেজে ৩ (তিন) বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা, অথবা (খ) অনার্স পর্যায়ের বেসরকারি ডিগ্রি কলেজের অনার্স শ্রেণিতে ৩ (তিন) বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা, অথবা (গ) কোনো স্বীকৃত গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ৩ (তিন) বছরের গবেষণা কাজের অভিজ্ঞতা এবং সেই সঙ্গে [(গ)-এর ক্ষেত্রে] কোনো স্বীকৃত জার্নালে ন্যূনতম দুটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়েই দ্বিতীয় বিভাগ/শ্রেণি ও সিজিপিএ ৩.০০-এর কম থাকলে ভর্তির অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এই উপধারার অধীনে এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তির অনুমতিপ্রাপ্ত প্রার্থীরা পিএইচডি প্রোগ্রামে স্থানান্তরিত হতে পারবেন না।

পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির যোগ্যতা

১. প্রার্থীর এমফিল বিধির (১) ও (২)-এর ভর্তির যোগ্যতাসহ অবশ্যই এমফিল/সমমান ডিগ্রি থাকতে হবে। তবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল ডিগ্রিপ্রাপ্তরা পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য সরাসরি প্রাথমিক আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন।

২. প্রার্থীর যদি এমফিল বিধির (১) ও (২) যোগ্যতা থাকে এবং তিনি যদি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন/সরকারি বৃত্তি/বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেস ফেলোশিপ অর্জন করে থাকেন, তাহলে তাঁরা পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য আবেদন জমা দিতে পারবেন।

৩. এমফিল বিধির (১) ও (২)-এর ভর্তির যোগ্যতাসহ (ক) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে/বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত)/সরকারি কলেজে ৭ (সাত) বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা অথবা (খ) অনার্স পর্যায়ের বেসরকারি ডিগ্রি কলেজে অনার্স শ্রেণিতে ৭ (সাত) বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা অথবা (গ) কোনো স্বীকৃত গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ৭ (সাত) বছরের গবেষণাকাজের অভিজ্ঞতা এবং সেই সঙ্গে [(গ)-এর ক্ষেত্রে] কোনো স্বীকৃত জার্নালে ন্যূনতম তিনটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়ে থাকলে প্রার্থী পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির প্রাথমিক আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। তবে শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে দ্বিতীয় বিভাগ/শ্রেণি বা সিজিপিএ ৩–এর কম থাকলে ভর্তির অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

* এমফিল ফেলোদের ক্ষেত্রে এক বছরের ডেপুটেশন/শিক্ষা ছুটি এবং পিএইচডি ফেলোদের ক্ষেত্রে দুই বছরের ডেপুটেশন/শিক্ষা ছুটি বাধ্যতামূলক।

* ভর্তিপ্রাপ্ত এমফিল/পিএইচডি ফেলোদের এক বছর মেয়াদি কোর্সওয়ার্কে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক। তবে যাঁরা এ ইনস্টিটিউট থেকে গত ১০ বছরের মধ্যে এমফিল ডিগ্রি অর্জন এবং কোর্সওয়ার্ক সম্পন্ন করেছেন, তাঁদের এ কোর্সওয়ার্ক করতে হবে না।

* এক বছর কোর্সওয়ার্ক শেষে গবেষকেরা একটি কম্প্রিহেনসিভ পরীক্ষায় অবতীর্ণ হবেন। এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য গবেষককে কমপক্ষে ৭০ শতাংশ ক্লাস উপস্থিতি এবং ৬০ শতাংশ সেমিনার উপস্থিতি থাকতে হবে।

* যাঁরা এমফিল প্রোগ্রাম থেকে পিএইচডি প্রোগ্রামে স্থানান্তরিত হতে আগ্রহী, এমফিল প্রোগ্রামের সন্তোষজনক অগ্রগতি এবং কোর্সওয়ার্কে ৩.০ গ্রেড প্রাপ্তি সাপেক্ষে তাঁরা পিএইচডি প্রোগ্রামে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এমফিল থেকে পিএইচডি প্রোগ্রামে স্থানান্তরের পর গবেষককে পিএইচডি প্রোগ্রামে কমপক্ষে এক বছর থাকতে হবে।

* থিসিস জমাদানের সময় এমফিল গবেষকেরা থিসিসের সারসংক্ষেপসহ গবেষণাকাজের ওপর কোনো স্বীকৃত জার্নালে ন্যূনতম একটি গবেষণা প্রবন্ধের কপি এবং পিএইচডি গবেষকেরা সারসংক্ষেপসহ গবেষণাকাজের ওপর কোনো স্বীকৃত জার্নালে ন্যূনতম দুটি গবেষণা প্রবন্ধের কপি জমা দেবেন।

* যেসব ফেলো এমফিল/পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হবেন এবং কোর্সওয়ার্ক করবেন কম্প্রিহেনসিভ পরীক্ষার পর এমফিলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ তিন মাস ও পিএইচডির ক্ষেত্রে ছয় মাসের মধ্যে তাঁদের গবেষণা প্রস্তাব দাখিল, সেমিনার প্রদান ও নিবন্ধীকরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন