বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্ত হয়, করোনার অন্তত এক ডোজ টিকা নেওয়ার প্রমাণপত্র ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈধ পরিচয়পত্র থাকা সাপেক্ষে আপাতত স্নাতক চতুর্থ বর্ষ ও স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা গ্রন্থাগারে পড়াশোনা করতে পারবেন। ধাপে ধাপে অন্যান্য বর্ষের শিক্ষার্থীদেরও গ্রন্থাগারে পড়ার অনুমতি মিলবে।

এদিকে খোলার প্রথম দিনে রোববার মূল গ্রন্থাগারে স্বাস্থ্যবিধি ও প্রমাণপত্র-পরিচয়পত্রের বিষয়টি নজরদারি করা সম্ভব হলেও বিজ্ঞান শাখায় তা সম্ভব হয়নি। সেদিন সকালে গ্রন্থাগারের বিজ্ঞান শাখায় ঢোকা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বাগ্‌বিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কি হয়। শিক্ষার্থীরা গ্রন্থাগার খোলা রাখার সময় বাড়ানোর দাবিও তোলেন সেখানে। এর পর থেকে ওই গ্রন্থাগারে প্রবেশে প্রমাণপত্র-পরিচয়পত্রের বিষয়টি নজরদারির কোনো ব্যবস্থা দেখা যায়নি।

করোনা পরিস্থিতিতে গত বছরের ১৮ মার্চ থেকে বন্ধ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। গ্রন্থাগারগুলোও বন্ধ ছিল। এমন পরিস্থিতিতে গত বছরের শেষ দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের বিজ্ঞান শাখার চারদিকের বারান্দায় চেয়ার-টেবিল বসিয়ে পড়াশোনা করতে থাকেন চাকরিপ্রত্যাশী প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা। গত এক বছর চাকরিপ্রত্যাশীরা এভাবে পড়াশোনা করায় অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন বলে মনে করেন ভারপ্রাপ্ত গ্রন্থাগারিক নাসিরউদ্দিন মুন্সী। তাই গ্রন্থাগার খুলে দেওয়ার পর মূল গ্রন্থাগারে তেমন ভিড় হয়নি বলে ধারণা তাঁর।

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন