ঢাকার বাড্ডার সাতারকুলে সবুজে ঘেরা ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস
ঢাকার বাড্ডার সাতারকুলে সবুজে ঘেরা ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসছবি : সংগৃহীত

স্বল্প খরচে মানসম্পন্ন শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)। আইনবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এ বি এম মফিজুল ইসলাম পাটোয়ারী ১৯৯৫ সালে ডিআইইউ প্রতিষ্ঠা করেন। ঢাকার বাড্ডার সাতারকুলে সবুজে ঘেরা মনোরম পরিবেশে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস। এখন সেখানেই সব রকম একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা অনেকে পেশাজীবনে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছেন। ভিনদেশে গবেষণায়ও নিয়োজিত আছেন ডিআইইউর প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার আন্তর্জাতিক মান বিবেচনায় রেখে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক ল্যাব, পাঠাগার,সেমিনার রুম, মিলনায়তন, বিনা মূল্যে ওয়াইফাই, হোস্টেল, জিমনেসিয়াম, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, ক্যাফেটেরিয়া, সুপরিসর একাডেমিক ভবন গড়ে তোলা হয়েছে। কোভিড পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় রেখে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে চলতি স্প্রিং-২০২১ সেমিস্টারে ছাত্রছাত্রী ভর্তির ক্ষেত্রে টিউশন ফির ওপর ১০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত ওয়েভার দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া এখানে ভালো ফলের ভিত্তিতে শতভাগ পর্যন্ত বৃত্তি দেওয়া হয়। নারী শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ শতাংশ এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য বিশেষ ওয়েভারের ব্যবস্থা আছে। প্রতি সেমিস্টারের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে প্রতিটি বিভাগের সব ব্যাচের কৃতী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হয়। বর্তমানে প্রায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ৫ শতাধিক বিদেশি শিক্ষার্থী আছেন।

বিজ্ঞাপন

প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের কথা

default-image

মোহাম্মদ রুহুল আমিন

সহকারী জেনারেল ম্যানেজার, আইসিটি বিভাগ, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড

১৯৯৫-৯৬ সালে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল নিয়ে পড়ার সুযোগ পাওয়া একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানের জন্য অলীক কল্পনা ছিল। কিন্তু আমার সে কল্পনা বাস্তবায়িত হয় এই ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার মাধ্যমে। এখানে শিক্ষার গুণগত মান, শিক্ষকদের আন্তরিকতায় আজ আমি পেশাগত জীবনে সাফল্য অর্জন করতে পেরেছি।

default-image

মো. ওয়াহিদ হোসেন

সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, নারায়ণগঞ্জ জেলা

আমি ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে ইংরেজিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে ২৯তম বিসিএসে ইকোনমিক ক্যাডারে যোগদান করি। পরবর্তী সময়ে যুক্তরাজ্যের টিসাইড ইউনিভার্সিটি থেকে তথ্যপ্রযুক্তি প্রকল্প ব্যবস্থাপনা বিষয়ে এমএসসি সম্পন্ন করেছি। এই সাফল্যের জন্য আমি ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ ও প্রিয় শিক্ষকদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ।

default-image

ফাওজিয়া আক্তার

বর্তমান শিক্ষার্থী, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

আমার চোখে উচ্চশিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এ দেশের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও স্বল্প আয়ের পরিবারের জন্য এটি অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আমি এখানে ভর্তি হয়েছি কারণ, বিশ্ববিদ্যালয়টি আধুনিক এবং আমাদের একটি স্থায়ী, মনোরম ও নান্দনিক ক্যাম্পাস আছে।

একনজরে

পাঠদানের বিষয়

স্নাতক পর্যায়ে: বিএসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, বিফার্ম অনার্স, এলএলবি অনার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বিএ অনার্স ইন ইংলিশ, বিএসএস অনার্স ইন সোশিওলজি, বিএসএস অনার্স ইন পলিটিক্যাল সায়েন্স, বিএসএস অনার্স ইন ইকোনমিকস।

স্নাতকোত্তর পর্যায়ে: এলএলএম, মাস্টার্স অব হিউম্যান রাইটস—ল, এমবিএ, এমএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, এমএ ইন ইংলিশ, এমএসএস ইন সোশিওলজি, এমএসএস ইন ইকোনমিকসএবং এমএসএস ইন পলিটিক্যাল সায়েন্স।

দেশ-বিদেশে ক্রেডিট স্থানান্তরের সুবিধা

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, জাপান, পর্তুগাল, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির একাডেমিক সম্পৃক্ততা রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ‘স্টুডেন্ট এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম’ বিষয়ে চুক্তি আছে।

ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ-২.৫০ থাকতে হবে। কোনো একটি পরীক্ষায় ২.৫০–এর কম পেলে দুই পরীক্ষায় মোট ৬.০০ থাকতে হবে।

ভর্তিসংক্রান্ত তথ্য: admission.diu.ac

বিজ্ঞাপন
উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন