default-image

ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব) বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ২০২১ উপলক্ষে অনলাইনে বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করেছিল। জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউল্যাব বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য সাংসদ কাজী নাবিল আহমেদ।
কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, ‘এ বছর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। আমাদের স্বাধীনতার ৫০ বছর। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বিভিন্ন দিবসের মধ্যে একটি বিশেষ দিন, কারণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছাড়া সেদিন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সত্যি সত্যি বিপন্ন হতে পারত, অপূর্ণ থেকে যেতে পারত, বাঙালি জাতি অপূর্ণ থেকে যেত। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সত্যিকারভাবে বাঙালিকে পৃথিবীর দরবারে পরিচিতি এনে দিয়েছেন, করে দিয়েছেন মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার স্থান।’

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম। তিনি ১০ জানুয়ারি ১৯৭২-এর সেই দিনটির কথা স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তাঁর এবং বাংলার মানুষের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু সেদিন দেশের মাটিতে ফিরে রমনা ময়দানে যখন উপস্থিত হন এবং বক্তব্য রাখেন, তাঁর চোখে পানি ছিল। তাঁর সাথে আমাদেরও। ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাস থেকে শুরু করে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের জেলখানায় বঙ্গবন্ধুকে জীবন যাপন করতে হয়েছে, এর চেয়ে কষ্টকর, এর চেয়ে নির্মম জীবন আর কিছু হতে পারে না। কিন্তু বঙ্গবন্ধু একটা বিষয়ে নিশ্চিন্ত ছিলেন এবং তিনি তাঁর ভাষণে বলেছিলেন যে—আমি জানতাম না যে আমি বেঁচে থাকব কি না। কিন্তু এটা আমি জানতাম যে আমার দেশ স্বাধীন হবে।’

অনুষ্ঠানে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ওপর এক বিশেষ প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইউল্যাবের উপাচার্য ড. এইচ এম জহিরুল হক। উপস্থিত ছিলেন ইউল্যাবের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সামসাদ মর্তুজা, ইউল্যাব বোর্ড অব ট্রাস্টিজের বিশেষ উপদেষ্টা অধ্যাপক ইমরান রহমানসহ ইউল্যাবের সব বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-কর্মকর্তা ও ছাত্রছাত্রীরা। বিজ্ঞপ্তি

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন