বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কনসার্ট থেকে উপার্জিত অর্থ পারফর্ম করা সব মিউজিশিয়ান ও বাংলাদেশি দাতব্য সংস্থা ফ্রেন্ডশিপের মধ্যে সমানভাবে দেওয়া হবে। ফ্রেন্ডশিপ সংস্থাটি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে শরণার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা এবং দেশে নারী অধিকার নিয়ে কাজ করে।

সংগঠনগুলো ব্রিটিশ-দক্ষিণ এশীয় শিল্পী শেজাদ দাউদকে পাইওনিয়ার ওয়ার্কসের (নিউইয়র্ক) ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ১ আগস্ট কনসার্টের জন্য ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি স্টেজ তৈরি করতে অনুমোদন করে। এটি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ত্রাণ ও শরণার্থীসংকটে সহযোগিতার জন্য রবিশঙ্কর ও বিখ্যাত ব্যান্ড বিটলসের জর্জ হ্যারিসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হওয়া ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’–এর স্মরণে ৫০ বছরের লিগ্যাসি–স্বরূপ একটি কনসার্ট।

‘কনসার্ট ফ্রম বাংলাদেশ’-এ কো-কিউরেটর হিসেবে আছেন সামদানি আর্ট ফাউন্ডেশনের (এসএএফ) আর্টিস্টিক ডিরেক্টর ডায়ানা ক্যাম্পবেল এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সংগীত প্রযোজক ও শিল্পী এনায়েত কবির। সহকারী কিউরেটর হিসেবে রয়েছেন রুকমিনী চৌধুরী ও সৌম্য সাহা। এ কনসার্টে বিভিন্ন ধারার দেশীয় গান পরিবেশন করা হবে। ঐতিহ্যবাহী বাউল গান থেকে শুরু করে পরীক্ষামূলক ইলেকট্রনিকস এবং হালের ঢাকা হিপহপও থাকবে।

এসএএফের প্রতিষ্ঠাতা নাদিয়া সামদানি বলেন, ‘বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৫০ বছর উদ্‌যাপন করছে, এমন সময় বিশ্বব্যাপী দেশীয় সংগীত ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে সুযোগ করে দেওয়ার মতো একটি কাজে প্রযোজনা করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে সুন্দর ও সাম্যের ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে লড়াই করতে সংগীত ও শিল্প মানুষকে একত্র করতে পারে।’

ইউবিআইকে প্রোডাকশনের পরিচালক মিরান্ডা শার্প বলেন, ‘আমরা এমন বহুবিভাগীয় ও বহুজাতিক প্রকল্পে এসএএফ ও শেজাদ দাউদের সঙ্গে কাজ করতে পেরে উচ্ছ্বসিত। এটি শিল্প ও সংগীতের সীমানা ছাড়িয়ে ডিজিটাল মাধ্যম নিয়ে কাজের নতুন সুযোগ তৈরি করবে।’

১ আগস্ট ইয়র্কশায়ার স্কাল্পচার পার্ক (ওয়েকফিল্ড) থেকে লাইভ ইভেন্টের মাধ্যমে ‘কনসার্ট ফ্রম বাংলাদেশ’ পাইওনিয়ার ওয়ার্কসের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সরাসরি প্রচারিত হবে। অন্য ইভেন্টগুলো চিসেনহেল গ্যালারি (লন্ডন), লিডস সিটি ভ্যারাইটিজ মিউজিক হল (লিডস) এবং শ্রীহট্ট সামদানি আর্ট সেন্টার ও ভাস্কর্য পার্কে (সিলেট) অনুষ্ঠিত হবে। এ প্রতিষ্ঠানগুলো ডায়াস্পোরিক বা গ্রামীণ বাংলাদেশি অঞ্চলে অবস্থিত। অনুষ্ঠানটি এর বার্তাকে সবার মধ্যে পৌঁছে দেবে এবং বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অভিজ্ঞতাকে আরও বিস্তৃত করবে।

বাংলাদেশ জাতি হিসেবে এর অসাধারণ যাত্রার ৫০ বছর উদ্‌যাপন করছে, এদিকে ব্রিটিশ কাউন্সিল ঢাকায় তাদের যাত্রা শুরু করেছিল ৭০ বছর হলো। এই দীর্ঘ অংশীদারত্বের ইতিহাসে ব্রিটিশ কাউন্সিল ইংরেজি, শিক্ষা, শিল্প ও সংস্কৃতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের মানুষের মধ্যে চমৎকার বন্ধন গড়ে তুলেছে। বিজ্ঞপ্তি

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন