বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক আবু তাহের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। সভাপতির বক্তৃতায় তিনি শিক্ষার্থীদের নিবিড় পরিচর্যা, দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারাপে করেন। তিনি আরও বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে দক্ষ মানবসম্পদ প্রয়োজন। প্রয়োজনের নিরিখে পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করা হলে উচ্চশিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন আসবে। পাঠ্যক্রম যেন জীবনমুখী হয়, দক্ষ স্নাতক তৈরি ও চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চাহিদা উপযোগী হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

default-image

আবু তাহের আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আউটকাম বেজড এডুকেশন অনুসরণ করে পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করতে হবে। এটি বাস্তবায়ন করা গেলে উচ্চশিক্ষা স্তরে পাঠ্যক্রমে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। এর মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃজন হবে এবং শিক্ষায় বৈচিত্র্য আসবে। স্নাতকেরা চাকরি উপযোগী দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এসপিকিউএ বিভাগের উপপরিচালক বিষ্ণু মল্লিকের সঞ্চালনায় কর্মশালায় বিভাগের পরিচালক ফখরুল ইসলাম স্বাগত বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে এসপিকিউএ বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক জেসমিন পারভীনসহ কমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির ৩০ জন শিক্ষক অংশ নেন। কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববদ্যিালয়ের প্রফেসর মো. মোজাহার আলী।

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন