বিজ্ঞাপন

সভায় সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, করোনা–পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যেন কোনো প্রোগ্রাম বা কোর্স একই সঙ্গে অনলাইন ও অনসাইট (সশরীর) শিক্ষণ চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়, সেই লক্ষ্য নিয়ে এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। এ নীতিমালা প্রণয়নে নিজস্ব সংস্কৃতি, সক্ষমতা, আর্থসামাজিক অবস্থা ও আন্তর্জাতিক মানের দিকে নজর দেওয়া হবে।

স্বাভাবিক সময়ে সশরীর পাঠদানের পাশাপাশি যাতে ভার্চ্যুয়াল পাঠদানও চালু থাকে, এ নীতিমালায় সেদিকে খেয়াল রাখার ওপর তাগিদ দেন ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক দিল আফরোজা বেগম।

default-image

ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ‘ব্লেন্ডেড লার্নিং এডুকেশন’ প্রবর্তন করা এখন সময়ের দাবি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের এ–সংক্রান্ত নীতিমালা পর্যালোচনা করে ওয়ার্কিং কমিটি একটি প্রাথমিক খসড়া তৈরি করবে, যা মূল কমিটি পর্যালোচনা করে নীতিমালা চূড়ান্ত করবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক মো. সাজ্জাদ হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির অধ্যাপক কাজী মোহাইমিন আস-সাকিব, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আ ফ ম সাইফুল আমিন, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মো. মোজ্জাম্মেল হক আজাদ খান, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক সাদেকুল ইসলাম প্রমুখ।

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন