বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কিছুদিন আগে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য নির্বাচনী প্রচারে এসে বারবার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা আবৃত্তি করে মানুষের মন জয়ের চেষ্টা করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অন্য নেতাদের মুখেও তখন শোনা যেত রবীন্দ্রনাথের নাম। সেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিজেপিশাসিত ‘মডেল’ রাজ্যের সিলেবাস থেকে বাদ পড়ার পর নানা প্রশ্ন উঠছে। এদিকে উত্তর প্রদেশের পাঠ্যসূচিতে রবীন্দ্রনাথের লেখা বাদ পড়ায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিন বলেন, ‘ওঁরা কোনো দিন বাঙালির ঐতিহ্য বোঝেনি। ওঁদের কাছ থেকে এহেন আচরণ প্রত্যাশিত। দেশের সংস্কৃতিও বোঝে না ওঁরা।’ তিনি বলেন, যদি যোগী আর রামদেব রবীন্দ্রনাথকে সরিয়ে দিতে পারে, তবে আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যতে তিনি আশার আলো দেখছেন না। এ কারণেই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।

কিছুদিন আগে উত্তর প্রদেশ সরকারের সুপারিশে চৌধুরী চরণ সিংহ বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন বিভাগের পাঠ্যক্রমে বাবা রামদেবের বই ‘যোগ চিকিৎসা রহস্য’ এবং প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের ‘হঠযোগ স্বরূপ এবং সাধনা’ পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এটা নিয়ে বিতর্ক চলছে। এরই মধ্যে দ্বাদশ ও দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচি থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, রাধাকৃষ্ণণের লেখা বাদ পড়ায় নতুন করে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

স্বাভাবিকভাবেই উত্তর প্রদেশের এই নতুন সিলেবাস নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কেন রাজ্য সরকার এ লেখাগুলো বাদ দিল, তা নিয়ে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনো কথা বলা হয়নি। তবে রাজ্যবিরোধীরা সরব এটা নিয়ে। শিক্ষাসংশ্লিস্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উদার মানসিকতার লেখকদের বাদ দিয়ে হিন্দুত্ববাদী রচনা ঢোকানো হচ্ছে উত্তর প্রদেশের সিলেবাসে। এটাই আসলে মগজধোলাই। এতে করে শিক্ষার্থীরা ছোটবেলা থেকেই হিন্দুত্ববাদী চেতনা নিয়ে বড় হবে। তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও এনডিটিভি

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন