বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শেখ হাসিনা হলের আবাসিক শিক্ষক মার্জিয়া নমি স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়েছে, ছাত্রীদের মধ্যে যাঁরা কমপক্ষে এক ডোজ টিকা নিয়েছেন, শুধু তাঁরা সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে হলে প্রবেশ করতে পারবেন। হলে প্রবেশের সময় অবশ্যই টিকা কার্ডের মূল কপি দেখাতে হবে। পরে অন্য ছাত্রীরা কোভিড-১৯ টিকার প্রথম ডোজ সম্পন্ন করা সাপেক্ষে হলে ঢুকতে পারবেন।

শের-ই-বাংলা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী নবির হোসেন বলেন, ‘সবাই উৎসবমুখর পরিবেশে হলে প্রবেশ করছে। ১৮ মাস পর হলে ফিরতে পেরে স্বস্তি লাগছে, সবাই খুশি। আশা করি, অল্প দিনের মধ্যেই একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হবে। এতে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের হতাশা-উৎকণ্ঠা দূর হবে।’

এদিকে আবাসিক হল খোলার প্রথম দিনে বিভিন্ন হল পরিদর্শন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. ছাদেকুল আরেফিন। গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হল, শের-ই-বাংলা হল ও শেখ হাসিনা হল পরিদর্শন করেন তিনি। হলের বিভিন্ন কক্ষ পরিদর্শন করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেন মো. ছাদেকুল আরেফিন। হলে থাকতে কোনো ধরনের সমস্যা হলে তাৎক্ষণিক তা হল প্রশাসনকে অবগত করার নির্দেশনাও দেন তিনি।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর খোরশেদ আলম, বঙ্গবন্ধু হলের প্রাধ্যক্ষ আরিফ হোসেন, শেরে-ই-বাংলা হলের প্রাধ্যক্ষ আবু জাফর মিয়া, শেখ হাসিনা হলের আবাসিক শিক্ষক, বিভিন্ন হলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন