default-image

চীন সফরে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির কজন শিক্ষার্থীপ্রাচীনকালে মানুষ জ্ঞান অর্জনের জন্য চীনে যেত। আর এখন যায় ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য। অবশ্য তাঁরা গিয়েছিলেন শিক্ষাসফরে। তাঁরা বলতে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় অনুষদের ফারুক হোসেন, শামসুল আলম, সুজেরজি তঞ্চঙ্গ্যা, ইমতিয়াজ উদ্দিন, কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের আশিকুল আলম, ফেরদৌস আলম ও আইন বিভাগের মইন উদ্দিন, হোসাইন মোহাম্মদ কাইফু। এ ছাড়া তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দলে ছিলেন জামাল উদ্দিন ও তাসনুভা রহমান। তাঁদের এ সফর ছিল চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি শিক্ষা কোর্সের অংশ হিসেবে। ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির যেসব শিক্ষার্থী ভালো ফল ও সহশিক্ষা কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের জন্য সুযোগ দেওয়া হয়েছিল এ শিক্ষাসফরে। ১২ দিনের সফর শেষে ঢাকায় ফিরলে ১ জুন দলটির সঙ্গে আমাদের কথা হয়।
আশিকুল আলম যেন এককথায় পুরো সফরের বর্ণনা দিয়ে দিলেন, ‘দেখলাম, শিখলাম, উপলব্ধি করলাম। ১২ দিনের এই সফর নিঃসন্দেহে স্মৃতিতে অমলীন হয়ে থাকবে।’ তবে ফারুক একটু সবিস্তারেই বললেন সফর নিয়ে, ‘কুনমিং বিমানবন্দরে নেমেই আমরা পেয়েছিলাম ইউনান ওপেন ইউনিভার্সিটির একটি দলকে, তারাই আমাদের সঙ্গ দিয়েছে। ওপেন ইউনিভার্সিটির ডরমিটরিতেই আমাদের ঠাঁই হয়েছিল।’
তারপর তাদের দিনগুলো কেটে গেল চীনের ঐতিহ্য আর আধুনিকতার মিশেলে গড়ে ওঠা ওয়েস্টার্ন হিলস, ড্রাগন গেট, দিয়ানচি লেক, স্টোন ফরেস্ট, গ্রিন লেক, ইয়াঙ্গন টেম্পল, কুনমিং জু ঘুরে ঘুরে। ‘এর মধ্যে ভৌতিক শহর হিসেবে পরিচিত চেঙ্গন শহর যা কুনমিংয়ের একটি বর্ধিত শহর, যেখানে কিনা এক লাখের বেশি অ্যাপার্টমেন্ট এখনো বিক্রি হয়নি। সে শহর নিয়েই দলের মইন উদ্দিন বলেন, ‘এই শহরটিকে চীনারা “ইউনিভার্সিটি শহর” করে ফেলেছে। নামী সব বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল বিশাল নতুন ক্যাম্পাস করেছে এখানে। পাহাড়ের পাদদেশে রাস্তা, লেক, আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধাসহ স্বপ্নের এক শহর এটি। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফ্লাওয়ার মার্কেট আছে এই শহরে। আমাদের সৌভাগ্য ইউনান ওপেন ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে আমাদের এক রাজকীয় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল শহরের ওদের নতুন ক্যাম্পাসে।’
এভাবেই কখন যে কেটে গেল তাঁদের ১২টি দিন। দলের তত্ত্বাবধায়ক জামাল উদ্দিন বলেন, শিক্ষার্থীদের চীনা শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মৌলিক ভাষা শিক্ষার সুযোগ করে দিতেই এ সফরের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তাঁরা দারুণ উপভোগ করেছেন সফরটি।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0