default-image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার পাঁচ ইউনিটের মধ্যে দুটি বন্ধের ‘প্রাথমিক সিদ্ধান্তের’ প্রতিবাদ জানিয়েছেন দেশের সাতজন জ্যেষ্ঠ শিল্পী ও শিক্ষক। তাঁরা মনে করেন, বিশেষজ্ঞ মতামত নেওয়ার প্রয়োজনীয়তাকে উপেক্ষা করে এ রকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তড়িঘড়িভাবে নেওয়া ‘নেতিবাচক সিদ্ধান্তটি’ বাংলাদেশে চারুকলার বিকাশকে ব্যাহত করাসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী অপশক্তির ভিতকে দৃঢ়তর করবে।

বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সাতজন জ্যেষ্ঠ শিল্পী ও শিক্ষক এ মন্তব্য করেছেন। এই সাত শিল্পী হলেন অধ্যাপক সমরজিৎ রায়চৌধুরী, অধ্যাপক হাশেম খান, অধ্যাপক রফিকুন নবী, অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক আবুল মনসুর, অধ্যাপক সৈয়দ আবুল বারক আলভী ও অধ্যাপক নাইমা হক৷

বিজ্ঞাপন

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘দীর্ঘ ৭২ বছরের নিরবচ্ছিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত চ ইউনিটের বর্তমান ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতিটি পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই প্রশ্নাতীতভাবে গৃহীত ও সুপ্রতিষ্ঠিত। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চ ইউনিটভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষাটি আগের মতো বহাল রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি।’

৮ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমিটির এক সভায় উপাচার্য দুটি ইউনিট বন্ধের প্রস্তাব তোলেন। উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা যে তিন ধারায় (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা) পড়াশোনা করেন, তার আলোকেই ভর্তি পরীক্ষার তিনটি ইউনিট করতে চান উপাচার্য। সভায় এ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা হয়। সেখানে বেশির ভাগ ডিন প্রস্তাবের পক্ষে মত দেন। তবে বিষয়টি চূড়ান্ত করবে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল।

মন্তব্য পড়ুন 0