বিজ্ঞাপন

পরিবারের বরাত দিয়ে সহপাঠী সাইফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, রবিন হালদারের শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি দেখা দিচ্ছিল। করোনা পরিস্থিতির কারণে রাজশাহীতে তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করা হয়েছিল। পরে দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল পরিবার। তবে কিছুদিন থেকে রবিনের জ্বর ও কাশি হচ্ছিল। গতকাল রক্ত দেওয়া হয়। পরে রাত দুটোর দিকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা প্রাথমিক ব্যবস্থা নেন। এর পরপরই রবিন হালদার মারা যান।

সহপাঠীরা আরও জানান, পারিবারিক ব্যবস্থাপনায় রবিন হালদারকে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানেই আত্মীয়স্বজনেরা মিলে শেষ সৎকারের ব্যবস্থা নেবেন।

এই শিক্ষার্থীর অকালমৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন