বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শেখ হাসিনা হলের প্রাধ্যক্ষ বশির আহমেদ বলেন, ‘আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিচ্ছি। শিক্ষার্থীরা যাতে স্বচ্ছন্দে হলে থাকতে পারে, সে জন্য আমরা সচেতন রয়েছি। তাদের কক্ষগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার জন্য হলের স্টাফরা প্রস্তুত আছেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের কক্ষ পরিষ্কারে সব ধরনের সহায়তা করবেন।’

এদিকে শিক্ষার্থীরা হলে ফেরায় ক্যাম্পাসে উৎসবের হাওয়া লেগেছে। আবার প্রাণ ফিরে পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নিগার সুলতানা বলেন, ‘১৮ মাস পর ক্যাম্পাস খুলেছে, এতে একধরনের ঈদের আনন্দ অনুভূত হচ্ছে। মনে হচ্ছে নতুন একধরনের প্রাণ পেয়েছি।’

রসায়ন বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের আবাসিক ছাত্র নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘অনেক দিন পর হলে ফিরে মনে হচ্ছে যেন আপন নীড়ে ফিরে এসেছি। বন্ধুবান্ধব সবাই মিলে সেই পুরোনো আনন্দমুখর দিনগুলোর সূচনা হলো আরেকবার। এ অনুভূতি আসলে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।’
তবে ৪৯তম ব্যাচের (প্রথম বর্ষ) সব শিক্ষার্থী এখনই হলে উঠতে পারছেন না। যাঁদের প্রথম বর্ষের পরীক্ষা শেষ হয়েছে এবং করোনার অন্তত এক ডোজ টিকা নিয়েছেন, তাঁরা নিজ নিজ হল প্রাধ্যক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে হলে উঠতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের সুনির্দিষ্ট কোনো কক্ষ নেই। তাঁরা গণরুমে থাকেন। করোনার এ মহামারির মধ্যে গণরুমে রাখা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাধ্যক্ষ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা তাদের গণরুমে উঠতে দিচ্ছি না। মাস্টার্সের অনেক শিক্ষার্থীর পরীক্ষা ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে, অনেকের শেষ হওয়ার পথে। তাদের পরীক্ষা শেষে হলেই আবাসিক হলে আসন খালি হবে। তখন প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের হলে ওঠানো হবে।’

প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা এতে কিছুটা মনঃক্ষুণ্ন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম বর্ষের একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, ক্যাম্পাসে ক্লাস শুরুর পাঁচ দিন পরই মহামারির কারণে হল বন্ধ হয়ে যায়। দেড় বছর ধরে হলে ফেরার জন্য মুখিয়ে আছেন তাঁরা। কিন্তু হল খুললেও তাঁরা উঠতে পারছেন না। এটা মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে তাঁদের।

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন