বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মনিরা পারভীনের জন্ম খুলনায়। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ থেকে স্নাতক (সম্মান) শেষ করে ভারত সরকারের আইসিসিআর কর্তৃক বৃত্তি নিয়ে ভারতের রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের (২০০৯-১৪) নৃত্য বিভাগ থেকে স্নাতক (প্রথম বিভাগে দ্বিতীয়) ও স্নাতকোত্তর (প্রথম বিভাগে প্রথম) ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ২০১৪ সালে তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার কেশশ্রী নাথ ত্রিপাঠী ও রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সব্যসাচী বসু রায়চৌধুরীর কাছ থেকে সমাবর্তনে স্বর্ণপদক ও বিভিন্ন পুরস্কার লাভ করেন। পড়াশোনা শেষ করে ২০১৫ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন।

ছোটবেলা থেকে নাচের প্রতি ছিল মনিরা পারভীনের বেশ ঝোঁক। খুলনা উদীচীতে তিনি ১৯৯৬-০৩ সাল পর্যন্ত নৃত্যে প্রশিক্ষণ নেন মোস্তাক সেলিমের কাছে। ২০০৪-০৯ সাল পর্যন্ত কত্থক নৃত্যে তালিম নেন শিবলী মহম্মদ ও সৃজনশীল নৃত্যে শামীম আরা নীপার তত্ত্বাবধানে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় তিনি জাতীয় পর্যায়ে ‘আন্তবিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায়’ কত্থক ও সৃজনশীল নৃত্যে দুটি স্বর্ণপদক লাভ করেন।

রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যায়নকালে তিনি গুরু সন্দীপ মল্লিকের কাছে নৃত্য প্রশিক্ষণ নেন। এ ছাড়া তিনি পাঁচ বছর পণ্ডিত বিরজু মহারাজজি ও শ্রীমতী শাশ্বতী সেনের কাছে নৃত্যের তালিম গ্রহণ করেন। শিক্ষকতা ও নৃত্যের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সংগঠক, গবেষণা, সেমিনার এবং দেশ-বিদেশের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নৃত্যানুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছেন। লেখালেখির কাজেও তিনি নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। বাংলাদেশ উপহাইকমিশন কলকাতার আয়োজনে ‘বৈশাখী বৈশাখ-১৪২০’ স্মরণিকায় তাঁর প্রথম প্রবন্ধ ‘বাংলাদেশের নৃত্যকলার ত্রিধারা’ প্রকাশিত হয়। এ ছাড়া তিনি নিয়মিত বিভিন্ন টেলিভিশনে নৃত্য পরিবেশন করছেন। বাংলাদেশ ইতিহাস অলিম্পিয়াড জাতীয় কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য এবং মুক্ত আসরের কার্যকরী সদস্য ও সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে তিনি কাজ করছেন।

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন