default-image

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে ১৩তম গ্রেডে বেতন দেওয়ার আদেশ কয়েক দিন আগে জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবার প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের বেতন প্রদান করতে আইবাস++ এ অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ ছাড়া ইএফটির মাধ্যমে বেতন তুলতে শিক্ষকদের তথ্য এন্ট্রি করা হচ্ছে। তবে দেশের অনেক উপজেলায় তথ্য অন্তর্ভুক্তি করতে গিয়ে কতিপয় শিক্ষকনেতা ও কিছু অসাধু শিক্ষা কর্মকর্তার পরিচয়ে অনৈতিক অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এসব কর্মকাণ্ডে শিক্ষকদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আর তাই এটা বন্ধে এবার উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

ডিপিইর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষকদের ইএফটিতে বেতন পেতে কোনো ধরনের লেনদেন না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এ বিষয়ে যেকোনো অভিযোগ জানাতে ৪ জন ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা নিয়োজিত করা হয়েছে ডিপিইর পক্ষ থেকে। এ–সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ থাকলে ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাদের জানাতে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
default-image

এ জন্য অধিদপ্তরের ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা ও তাঁদের ফোন নম্বরও দিয়েছে ডিপিই। ফোন নম্বরগুলো তুলে ধরা হলো—
১. সহকারী পরিচালক (অর্থ–রাজস্ব) মো. নুরুল ইসলাম। ফোন নম্বর: ০১৭৪২৪৮০২০১
২. শিক্ষা অফিসার (অর্থ) তাপস কুমার সরকার। ফোন নম্বর: ০১৭১১৪৬১০৪৯
৩. সহকারী হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা (অর্থ) মৃত্যুঞ্জয় সরকার। ফোন নম্বর: ০১৭১২৭৫৯৬১৫
৪. প্রকিউরমেন্ট অফিসার (অর্থ–রাজস্ব) আ ফ ম জাহিদ ইকবাল। ফোন নম্বর: ০১৫৫২৪৩৯১২৮

আইবাস আইবাস++ সফটওয়ারে তথ্য এন্ট্রির কাজে লেনদেনের অভিযোগ এলে তা ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাদের জানাতে শিক্ষকদের বলেছে প্রাথমিক অধিদপ্তর।

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন