বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, বর্তমানে প্রতিযোগিতামূলক এই বিশ্বে শিক্ষাসহ সব ক্ষেত্রেই সুনামের সঙ্গে টিকে থাকতে মানোন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশের উচ্চাশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বিগত বছরগুলোতে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশে পাবলিক ও প্রাইভেট ব্যবস্থাপনায় ১৫৯টি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে।

উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ৪৩ লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসম্পন্ন শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার দিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সব ক্ষেত্রে মানোন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যগুলো অর্জনের ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে গবেষণা ও উদ্ভাবন নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংয়ে স্থান পেতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ সহযোগিতামূলক কার্যক্রম ও বিশ্বায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

মুহাম্মদ আলমগীর আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ওয়ার্ল্ড র‍্যাঙ্কিংয়ের বিভিন্ন শর্ত ও প্যারামিটার সম্পর্কে অবহিত করা গেলে বৈশ্বিক বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাঙ্কিংয়ে স্থান করে নেওয়ার ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করার মাধ্যমে তাঁরা তা অর্জনের জন্য নিরলসভাবে কাজ করবেন।

ইউজিসির সদস্য দিল আফরোজা বেগম, বিশ্বজিৎ চন্দ ও মো. আবু তাহের ওয়েবিনারে যুক্ত ছিলেন। স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং অ্যান্ড কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স (এসপিকিউএ) বিভাগের পরিচালক মো. ফখরুল ইসলাম ওয়েবিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন। টিএইচই এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ও মহাব্যবস্থাপক রিতিন মালহোত্রার সঞ্চালনায় ওয়েবিনারে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এসপিকিউএ বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক জেসমিন পারভীন। পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সহ-উপাচার্য, ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেলের পরিচালক, অতিরিক্ত পরিচালক, ইউজিসির বিভাগীয় পরিচালকসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ওয়েবিনারে যুক্ত ছিলেন।

ওয়েবিনারে ইম্প্যাক্ট র‍্যাঙ্কিং বিষয়ে মাস্টারক্লাস পরিচালনা করেন টিএইচইয়ের চিফ নলেজ অফিসার ফিল ব্যাটি, এমডি কনসালট্যান্সি এলিজাবেথ শেফার্ড এবং ডেটা এনালাইসিস অফিসার হান্নাহ পিকক। বিজ্ঞপ্তি

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন