বিজ্ঞাপন

কাল বুধবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস বিভিন্ন রুটে শিক্ষার্থীদের জেলা শহর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। তবে হঠাৎ গতকাল সোমবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে পরিবহন সেবা স্থগিত করা ঘোষণা দেওয়া হয়। সেখানে কারণ হিসেবে সরকারের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের কথা বলা হয়। এতে আজ সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী জড়ো হয়ে প্রশাসন ভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা একটি সভা করেন। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রক্টর মো. লিয়াকত আলী প্রশাসন ভবনের সামনে এসে জানান, ১৭, ১৮ ও ১৯ জুলাই তিনটি রুটে তিনটি বাস চলবে। তবে শিক্ষার্থীরা সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে প্রশাসন ভবনের ফটকে তালা লাগিয়ে দেন। পরে বেলা সাড়ে তিনটার দিকে নতুন করে ১৫, ১৬ ও ১৭ জুলাই রংপুর, ঢাকা ও খুলনার উদ্দেশে বাস চলাচলের সিদ্ধান্ত হয়। এরপর শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।

প্রক্টর লিয়াকত আলী বলেন, আজ আবার বাস চলার সিদ্ধান্ত হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা রুট নিয়ে আপত্তি জানান। এতে রুট পুনরায় নির্ধারণ করা হয়েছে, শিক্ষার্থীরাও কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন।

আগের দিন পরিবহন সেবা স্থগিতের সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ফেডারেশন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মহব্বত হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক আহসানুল হক স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার জন্য পূর্বনির্ধারিত সময়ে বাস সেবা দেওয়া স্থগিত করা হঠকারী সিদ্ধান্ত। এমন সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ অবিবেচনাপ্রসূত ও অগণতান্ত্রিক।

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন