বিজ্ঞাপন

সরকারের এ সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়া জানাতে বিকেলে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র আসিফ মাহমুদ। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করলাম। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বর্ধিত করার পেছনে শিক্ষামন্ত্রী করোনা পরিস্থিতি ও টিকার অপর্যাপ্ততাকে দায়ী করেছেন। অথচ করোনা পরিস্থিতিতে কলকারখানা, অফিস, শিল্পপ্রতিষ্ঠান; এমনকি গণপরিবহন কোনো কিছুই থেমে থাকেনি। এক বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ আছে কেবল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অপরদিকে টিকা নিয়ে যে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে, তার জন্য দায়ী সরকারি নীতিনির্ধারক ও তাদের করপোরেট প্রতিষ্ঠান।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, ‘দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় সেশনজটে পড়ে শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। অনেক শিক্ষার্থীর চাকরি ও টিউশনও নেই। আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেবেন। একই সঙ্গে সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ উপাচার্য বরাবর এবং অন্য শিক্ষার্থীদের জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন