default-image

দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের টিকা নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয় ক্লিনিকে নিজে করোনাভাইরাসের টিকা নেওয়ার পর প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, টিকার প্রতি আতঙ্ক কেটে গেছে। করোনাভাইরাসের টিকায় কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তিনি শতভাগ সুস্থ আছেন। তিনি আরও বলেন, ‘নিজে সুস্থ থাকেন, অন্যকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুস্থ রাখুন।’  

জাকির হোসেন বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশ এখনো করোনার টিকা নিতে পারেনি। এ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কূটনৈতিক সাফল্য ও সেরা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশে দ্রুততম সময়ের মধ্যে টিকা এনে জনগণকে রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন। এ জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

বিজ্ঞাপন
default-image

দেশে করোনা সংক্রমণের ১১ মাস পর গত রোববার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। প্রথম দিন শেষে মোট টিকা পেয়েছেন ৩১ হাজার ১৬০ জন। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরে টিকা পেয়েছেন ৫ হাজার ৭১ জন। প্রথম দিন টিকা দেওয়ার সময় গ্রহীতাকে বলে দেওয়া হয় দ্বিতীয় ডোজের তারিখ।

রোববার টিকা নেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোববার টিকা নিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে কোভিড-১৯-এর টিকা নেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

সরকারের কাছে ৭০ লাখ টিকা আছে। এর মধ্যে ২০ লাখ টিকা ভারত সরকার বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে দিয়েছে। বাকি ৫০ লাখ টিকা সরকার ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে কিনেছে। এই টিকা ৩৫ লাখ মানুষকে দেওয়া হচ্ছে।

গত ২৭ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চ্যুয়ালি রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ওই দিন ২১ জনকে করোনার টিকা দেওয়া হয়। এর পরদিন রাজধানীর ৫টি হাসপাতালে ৫৪৬ জনকে টিকা দেওয়া হয়। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলা হয়, টিকা নেওয়া ৫৬৭ জনই সুস্থ আছেন। কারও বড় ধরনের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, করোনা মহামারি মোকাবিলায় স্থায়ী সমাধান এনে দিতে পারে টিকা। প্রতিবেশী দেশ ভারতসহ বিশ্বের বেশ কিছু দেশে ব্যাপকভাবে টিকাদান শুরু হয়েছে। জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, করোনা থেকে দূরে থাকতে হলে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, মাস্ক পরতে হবে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হবে।

বিজ্ঞাপন
উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন