বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সচিব ও ইউসেপ বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক মো. আবদুল করিম বলেন, শিশুর সুরক্ষায় বিশ্ব এবং রাষ্ট্র সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। স্কুলে মূলশিক্ষার পাশাপাশি সৃজনশীল শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দেশে শিশু সুরক্ষা আইন রয়েছে এবং তার যথাযথ বাস্তবায়ন জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে ম্যাগসাইসাই পুরস্কারপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী আইসিডিডিআরবির মিউকোসাল ইমোনোলজি অ্যান্ড ভ্যাকসিনোলজি ইউনিটের প্রধান ফেরদৌসী কাদরী বলেন, বাংলাদেশে টিকা নেওয়ার পর শিশু ও মাতৃ মৃত্যুহার কমেছে, তবে রোগের প্রকোপ বেড়েছে। প্রযুক্তিগত উপকরণের অভাবে শিশুদের দ্রুত রোগনির্ণয় অনেক ক্ষেত্রে ব্যাহত হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।

ঘাসফুলের প্রধান উপদেষ্টা সাদিয়া আফরোজ চৌধুরী বলেন, করোনায় মানুষের আয় কমেছে, যার প্রভাব পড়ছে শিশুদের ওপর। বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশনের পরিচালক নায়লা জামান খান তাঁর বক্তব্যে বলেন, শিশু বিকাশ কেন্দ্রে শিশুদের স্বাস্থ্য ও মানসিক স্বাস্থ্যের ৮০ শতাংশ সমস্যা সমাধানে কাজ করছে। এটা পর্যাপ্ত নয়, দরিদ্র জনগোষ্ঠির উন্নয়নে শিশু বিকাশ কেন্দ্রের মাধ্যমে আরও কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে শিশুদের পরাণ-ঘাসফুলের শিশুবিষয়ক কার্যক্রমের ওপর ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে সাবেক সচিব ও ঘাসফুলের সাধারণ পরিষদ সদস্য মাফরুহা সুলতানা এবং ঘাসফুলের সিইও আফতাবুর রহমান জাফরী, সিনেসিস হেলথ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন