বিজ্ঞাপন
default-image

সে সময় আইফোনটি কিনতে ৫০০ ডলারের কিছু কম খরচ হতো। আর ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য মাসে গুনতে হতো কমপক্ষে ৯ দশমিক ৯৫ ডলার।

সেটি কোনোভাবেই বর্তমানের স্মার্টফোনের সঙ্গে তুল্য নয়। তবু ইনফোগিয়ারের আইফোন সময়ের চেয়ে বেশ এগিয়ে ছিল। ১৯৯৯ সালে সেটির নতুন মডেল বাজারে ছাড়ার পর আইফোন বানানো বন্ধ করে দেয় ইনফোগিয়ার।

২০০০ সালের শুরুর দিকে ইনফোগিয়ার কিনে নেয় মার্কিন নেটওয়ার্কিং প্রতিষ্ঠান সিসকো সিস্টেমস, অর্থাৎ বদলে যায় আইফোন ট্রেডমার্কের মালিকানা।

default-image

এরপর ২০০৬ সালে ভিওআইপি টেলিফোন ‘লিংকসিস আইফোন’ বাজারে আনে সিসকো। আর ২০০৭ সালের শুরুর দিকে ম্যাকওয়ার্ল্ড সম্মেলনের মঞ্চে অ্যাপলের প্রয়াত সহপ্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস দেন আইফোন বাজারে আনার ঘোষণা। প্রায় সঙ্গে সঙ্গে ট্রেডমার্ক স্বত্বভঙ্গের অভিযোগ এনে অ্যাপলের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেয় সিসকো।

একই বছর জুনে বাজারে আইফোন ছাড়ার আগে সে অভিযোগ মিটিয়ে ফেলে অ্যাপল। তবে কত টাকায় রফা হলো, তা জানায়নি কোনো পক্ষই।

মজার ব্যাপার হলো, প্রতিষ্ঠান দুটির নতুন চুক্তির পর ‘আইফোন’ নামটি ব্যবহারের অনুমতি দুই পক্ষেরই ছিল। তবে এরপর আর সিসকোর আইফোন বাজারে দেখা যায়নি। সম্ভবত আর কখনো যাবেও না। আইফোন এখন নিঃসন্দেহে কেবল অ্যাপলের পণ্য।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন