default-image

ইদানীং কৃষি খাত প্রযুক্তিমুখী হচ্ছে। এমন খবর মাঝেমধ্যে আসছে। তবে পোলট্রি খাত নিয়ে তেমন আশাপ্রদ খবর খুব একটা চোখে পড়ত না। এবার সে খবরও দিলেন শেখ মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। জানালেন, একটি অ্যাপ বানিয়েছে তাঁর প্রতিষ্ঠান। যে অ্যাপ ব্যবহার করে পোলট্রি খাতের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মীদের দৈনন্দিন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে পারবে সহজে। আর খামারিরা পাবেন প্রয়োজনীয় তথ্য। এতে সময় বাঁচবে, শ্রম বাঁচবে, আর কার্যকারিতা বাড়বে বলে জানালেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

অ্যাপটির নাম পোলট্রি প্রো। বানিয়েছে ই-ট্র্যাকার সলিউশন নামের প্রতিষ্ঠান। মূলত বিক্রয় ব্যবস্থাপনা ঘরানার অ্যাপটি কাজ করে তিনটি অংশে। মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের কাছে থাকবে ইউজার অ্যাপ। যারা অ্যাপে তাঁদের দৈনন্দিন কার্যক্রম লিখে রাখবেন।

কোথায় থেকে কোথায় গেলেন, কেমন খরচ হলো, দিনে করণীয় কী কী—এসব জানাতে পারবেন। সঙ্গে বিক্রি কতটুকু হলো, লক্ষ্য পূরণ হলো কি না, তা জানতে পারবেন অ্যাপ থেকেই। বাকিতে বিক্রি ও ঋণ সংক্রান্ত ব্যাপারগুলো পাওয়া যাবে ক্রেডিট কন্ট্রোল অংশে। আর খামারিরা হাঁস-মুরগির জীবনচক্র লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এতে খামারে কবে কখন কী প্রয়োজন, তা জানিয়ে দেবে অ্যাপ।

অ্যাডমিন অ্যাপ থাকবে প্রতিষ্ঠানের কর্তাদের কাছে। তাঁরা ঠিক করে দেবেন কর্মী দিনে কী কী কাজ করবেন, সঙ্গে কর্মীর কাজও পর্যবেক্ষণ করা যাবে সেখান থেকে। আর সার্বিক প্রতিবেদন দেখা যাবে ড্যাশবোর্ডে।

জাপানে হিটাচিতে কাজ করতেন শেখ মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। দেশে ফেরেন ২০০৯ সালে। ২০১৬ সালে পোলট্রি প্রো অ্যাপ দিয়েই শুরু হয় ই-ট্র্যাকার সলিউশন। মূল উদ্যোক্তা তিনজন। সাখাওয়াত প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। বাকি দুই উদ্যোক্তার একজন মাজহারুল হক, অপরজন মো. বিল্লাল সিদ্দিকি।

পোলট্রি খাত থেকে কাজ শুরুর কারণ হিসেবে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, পোলট্রি খাত নিয়ে দেশে এর আগে এ ধরনের কোনো কাজ হয়নি। শূন্যতা ছিল। আগে প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশ থেকে চড়া দামে সফটওয়্যার কিনত। আমরা স্বল্প খরচে অ্যাপ দিই।

পোলট্রি থেকে শুরু হলেও অন্যান্য শিল্প খাতেও কাজ শুরু করেছে ই-ট্র্যাকার। ভবিষ্যতে দেশ ছাড়িয়ে বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সেবা দেওয়ার পরিকল্পনার রয়েছে বলে জানিয়েছেন সাখাওয়াত হোসেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0