বিজ্ঞাপন

এদিকে আইপ্যাড বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল অ্যাপল। এমন সময় একদিন ব্যাপারটি লক্ষ করেন অ্যাপলের প্রয়াত সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং তৎকালীন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টিভ জবস। তিনি স্কট ফর্সটলকে ডেকে পাঠান। সে সময় আইপ্যাডের সফটওয়্যার তৈরির দায়িত্বে ছিলেন তিনি। স্কট এলে স্টিভ জবস জিজ্ঞেস করেন, আইপ্যাডে ক্যালকুলেটরের নতুন নকশা কই? স্কট খুব অবাক হন। বলেন, নতুন নকশা আবার কী? আমরা তো এভাবেই বাজারে ছাড়ার কথা ভাবছি।

স্কট যতই বোঝানোর চেষ্টা করুক না কেন, স্টিভ জবস কী আর তা মানেন! স্টিভ বললেন, হয় আইপ্যাডে ক্যালকুলেটরের নকশা বদলাও নয়তো বাদ দিয়ে দাও।

সে সময় নতুন করে অ্যাপ তৈরির সময় অ্যাপলের কাছে ছিল না। কারণ চট করে কিছু অ্যাপল কখনো করে না। তাই বাধ্য হয় আইপ্যাড থেকে ক্যালকুলেটর বাদ দেওয়া হয়। তবে কী কারণে কে জানে, এক দশক পর আজও সে অ্যাপ যোগ করেনি অ্যাপল। সেটি নিয়ে যে কাজ করছে, তেমনটাও শোনা যায়নি কখনো।

default-image

তাই বলে কি অ্যাপল কখনো আইপ্যাডে ক্যালকুলেটর যোগ করবে না? ইউটিউবার মার্কেজ ব্রাউনলি সে প্রশ্নই করেছিলেন অ্যাপলের সফটওয়্যার প্রকৌশল বিভাগের জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্রেইগ ফেডেরিগিকে। উত্তরে ক্রেইগ হাসতে হাসতে বলেছেন, ‘ক্যালকুলেটর অ্যাপ বানানো কোনো কঠিন ব্যাপার নয়। তবে আমরা এমন একটি বানাতে চাই যেটি দেখে ব্যবহারকারীরা বলবেন, আইপ্যাডে এটাই সেরা ক্যালকুলেটর অ্যাপ। আমরা কাজটি তখনই করতে চাই যখন আমরা সেটি খুবই ভালোভাবে করতে পারব। আমরা এখনো ততটা ভালো করতে পারিনি। তবে সে দিন আসতে পারে।’

ক্রেইগের কথায় সে আশায় বুক বেঁধে থাকার দরকার অবশ্য নেই আইপ্যাড ব্যবহারকারীদের। চাইলে তৃতীয় পক্ষের (থার্ড পার্টি) অ্যাপ নামিয়ে নিতে পারেন। আবার হোম স্ক্রিন সোয়াইপ করে নিচে নামিয়ে দিলে পাওয়া যাবে স্পটলাইট সার্চ। সেখানে কোনো সমীকরণ লিখলে আইপ্যাড বুঝে যায় অঙ্ক কষার সময় এসেছে, এরপর জানিয়ে দেয় উত্তর।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন