default-image

একটা কথা প্রায়ই শোনা যায়, যাঁরা একবার আইফোন চেখে দেখেছেন, তাঁদের মুখে (কিংবা হাতে) নাকি আর কিছু রোচে না। তবে যাঁদের সে অভিজ্ঞতা নেই, তাঁদের আইফোন ব্যবহারে আগ্রহী করতে ‘আইফোন ১২ মিনি’ মডেলের স্মার্টফোন বাজারে ছেড়েছিল অ্যাপল। মার্কিন প্রতিষ্ঠানটির ধারণা ছিল, নতুন আইফোন ব্যবহারকারীদের গ্রাহক হিসেবে ঘরে তুলতে পারবে আইফোন ১২ মিনির মাধ্যমে। তবে আশায় গুড়ে বালি।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইফোন ১২ প্রোর তুলনায় ১২ মিনি মডেলটি আশানুরূপ বিক্রি হচ্ছে না। দাম বেশি হওয়া সত্ত্বেও গ্রাহক আইফোন ১২ প্রো কিংবা ১২ প্রো ম্যাক্স মডেল দুটিই হাতে তুলছেন বেশি। তাইওয়ানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডিজিটাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূলত মার্কিন ও ইউরোপীয় বাজারের জন্যই বাজারে ছাড়া হয় আইফোন ১২ মিনি। তবে করোনা মহামারির প্রভাবে বিক্রি হচ্ছে কম।

বিজ্ঞাপন

অ্যাপলের হয়ে বেশির ভাগ আইফোন ১২ মিনি তৈরি করে তাইওয়ানের প্রতিষ্ঠান পেগাট্রন। প্রতিবেদনটিতে সে প্রতিষ্ঠানের উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ‘খাতসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে কোভিড-১৯ মহামারির নেতিবাচক প্রভাবে আইফোন ১২ মিনির ফরমাশ কম পাচ্ছে পেগাট্রন।’

পূর্বের দেশগুলো, যেমন চীনেও ‘ছোট’ আইফোনের চাহিদা খুব বেশি নয়। কারণ, চীনারা বড় ডিসপ্লের স্মার্টফোনের চাহিদা বেশি হওয়ায় আইফোন ১২ প্রো মডেলগুলোর চাহিদা সেখানে বেশ বেশি। প্রতিবেদনে ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান মরগ্যান স্ট্যানলির উল্লেখ করে বলা হয়েছে, অ্যাপল হয়তো চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে আইফোন ১২ মিনির উৎপাদন কমিয়ে ১২ প্রোর উৎপাদনে জোর দেবে।

দেশে ১২৮ গিগাবাইট স্টোরেজের আইফোন ১২ মিনির দাম ১ লাখ ৯ হাজার ৯৯৯ টাকা। একই স্টোরেজের আইফোন ১২ ও ১২ প্রোর দাম যথাক্রমে ১ লাখ ২৪ হাজার ৯৯৯ ও ১ লাখ ৪৬ হাজার ৯৯৯ টাকা।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন