বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিউলের গিমপো এয়ারপোর্টে জার্মানির ভোলোকপ্টারের তৈরি দুই আসনের একটি উড়োযান পরীক্ষামূলকভাবে চালিয়ে দেখান এক চালক। সেটির নিয়ন্ত্রণ এবং সমন্বয়ব্যবস্থাও দেখানো হয় প্রদর্শনীতে।

উড়াল ট্যাক্সিটি হেলিকপ্টারের মতো রোটরের সাহায্যে সরাসরি খাড়াভাবে উড্ডয়ন করতে পারে। সেটা চালকের পরিচালনায় হতে পারে, আবার চালকহীন স্বয়ংক্রিয়ভাবেও হতে পারে।

default-image

দক্ষিণ কোরিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, উড়াল ট্যাক্সিতে যাত্রী থাকলে নিরাপত্তার জন্য তাতে একজন চালক থাকা আবশ্যক। এতে জনগণের কাছেও গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে।

দক্ষিণ কোরীয় নকশাকার তাঁদের নিজস্ব নকশায় তৈরি একটি উড়োযানও দেখান প্রদর্শনীতে। পূর্ণ আকারের একটি প্রোটোটাইপ আগামী বছরের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে উড্ডয়ন করবে। পরিবহন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ আসনের একটি কার্যকর মডেল তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁদের।

একই প্রদর্শনীতে অন্যান্য উড়োযান শনাক্ত করার প্রযুক্তিও দেখানো হয়। ‘ভার্টিপোর্ট’ নামের বিশেষ জায়গায় উড়াল ট্যাক্সিগুলোর উড্ডয়ন বা অবতরণ করবে। দূর থেকে এ স্থানগুলো শনাক্তের জন্য বিশেষ আলোর ব্যবস্থাও দেখানো হয় সেখানে।

সিউলের ইনচন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে মধ্য সিউলে উড়াল ট্যাক্সিতে যেতে ৯৩ ডলারের মতো খরচ পড়বে। যা প্রচলিত ট্যাক্সিসেবাগুলোর খরচের চেয়েও ঢের বেশি। তবে সবাই ব্যবহার শুরু করলে ২০৩৫ সাল নাগাদ এ খরচ ১৭ ডলারে নেমে আসবে বলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে দেখানো হয়, অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক রুটের বিমান চলাচলে ব্যবহৃত এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম দিয়েই উড়াল ট্যাক্সি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন