default-image

আগামী বছর নিজস্ব স্মার্টগ্লাস আনার পরিকল্পনার কথা জানাল ফেসবুক। গত বুধবার ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা এমন আধুনিক চশমাপ্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন যা স্মার্টফোনের সঙ্গে যুক্ত করা যাবে।

এ চশমা তৈরিতে তারা রে-ব্যান স্মার্টগ্লাস নির্মাতা এসিলর লুক্সোটিকার সঙ্গে কাজ করবে।

ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গের ভাষ্য, রে-ব্যান ব্র্যান্ডের স্মার্টচশমা বা আইওয়্যার তৈরিতে ফেসবুক কাজ করবে। তাদের পরিধানযোগ্য প্রযুক্তিপণ্যের দুনিয়ায় প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে এ প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।

এতে ভবিষ্যতের অগমেন্টেড রিয়্যালিটিযুক্ত নতুন স্মার্টচশমা তৈরি করা যাবে। এ চশমায় তথ্য বা গ্রাফিক ইন্টারনেট থেকে দেখা যাবে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, আগামী বছর প্রথম প্রজন্মের অগমেন্টেড রিয়্যালিটি চশমা বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা করেছে ফেসবুক।

অবশ্য, সত্যিকারের অগমেন্টেড রিয়্যালিটি চশমা বাজারে আনতে ৫ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে বলে জানিয়েছে ফেসবুকের রিয়্যালিটি ল্যাবস রিসার্চের প্রধান গবেষক মাইকেল আব্রাশ।

ফেসবুকের পক্ষ থেকে বুধবার ‘প্রজেক্ট আরিয়া’ নামের একটি গবেষণা প্রকল্পের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে আরও উন্নত প্রযুক্তির চশমা তৈরি করা সম্ভব হবে।

বিজ্ঞাপন

পুরোপুরি ইন্টার‍্যাকটিভ ডিসপ্লে এবং অডিও ক্ষমতার মতো সুবিধাগুলো চশমার মতো হালকা যন্ত্রে এখনো যুক্ত করা কঠিন। এ ধরনের যন্ত্রের ওজন হতে পারে মাত্র ৭০ গ্রাম।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা বলছেন, এআর গ্লাস পুরোপুরি কার্যক্ষম হয়ে বাজারে এলে এতে মোবাইল ফোনের ফাংশনগুলো পুরোপুরি ব্যবহার করা যাবে। এ ক্ষেত্রে বাজারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে অ্যাপল, আমাজন, অ্যালফাবেট, গুগলের মতো প্রতিষ্ঠান।

স্ন্যাপ ইনকরপোরেশনের তৈরি স্পেকট্যাকলস নামের ডিভাইসটি ২০১৬ সালে বাজারে ছাড়ে। ওই ডিভাইসটির তৃতীয় সংস্করণে গত বছর থেকে এআর প্রযুক্তি যুক্ত করা শুরু করেছে স্ন্যাপ।

ফেসবুকের গবেষক আব্রাশ বলেন, প্রথম প্রজন্মের স্মার্টগ্লাসের ক্ষেত্রে মোবাইল ফোনের ওপর নির্ভর করতে হতে পারে। এর বাইরে ব্যাটারির আয়ু ও ডিভাইস থেকে তৈরি তাপ একটি বাধা হয়ে থাকবে। এআর গ্লাসের ক্ষেত্রে অন্য যন্ত্র এর অনুষঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

মন্তব্য পড়ুন 0